PM Modi: ‘তৃণমূলের অপশাসনে পশ্চিমবঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে’, বাংলা পা রাখার আগের রাতেই দুর্গাপুরের সভার সুর বেঁধে দিলেন মোদী – Bengali News | ‘West Bengal is suffering due to Trinamool misrule’, PM Narendra Modi posts on X handle the night before arriving in Bengal
নরেন্দ্র মোদী, প্রধানমন্ত্রীImage Credit source: Tv9 Bangla
কলকাতা: তৃণমূলের অপশাসনে পশ্চিমবঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, মানুষ আশা নিয়ে বিজেপির দিকে তাকিয়ে আছে। মানুষ নিশ্চিত বিজেপিই একমাত্র উন্নয়ন করতে পারবে। বাংলায় আসার ঠিক আগের রাতে এই মর্মেই দুর্গাপুরের সভার সুর বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুর্গাপুরে বক্তৃতা শুরুর প্রায় ১৮ ঘণ্টা আগেই এক্স হ্যান্ডেলে করলেন পোস্ট। আহ্বান করলেন সভায় যোগদানের।
প্রায় সাড়ে ৫০০০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজনীতির কারবারিদের মতে, উন্নয়নের অস্ত্রেই শান দিতে চান নরেন্দ্র মোদী। তার সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই উন্নয়নে বিজেপিই ভরসা বার্তা দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। তাই ওই এলাকার উন্নয়নের ডালি যেমন সাজিয়ে জাতিকে উৎসর্গ করবেন প্রধানমন্ত্রী, তেমনই ওই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে কি ভাবনা রয়েছে তার রূপরেখাও আঁকবেন প্রধানমন্ত্রী। এমনটাই মনে করছেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা।
বরাবরই শিল্প নগরী হিসাবে পরিচিত দুর্গাপুর। কিন্তু বর্তমানে অনেকটাই কৌলিন্য হারিয়েছে। বিরোধীরা বলছেন, শুধু দুর্গাপুর নয়, গোটা রাজ্যেই শিল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। রাজনীতির কারণে শিল্প সহায়ক পরিবেশ ধ্বংস হয়েছে। তবে বিজেপি এলেই তা তা ফিরিয়ে আনা হবে। বলছেন বঙ্গ বিজেপির নতুন সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সেই শিল্পনগরীর সভায় রাজ্যের লগ্নি নিয়ে কি ভাবনা আছে, প্রধানমন্ত্রীর মুখে তা শুনতে আগ্রহী দুর্গাপুর তথা বঙ্গবাসী।
অন্যদিকে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্থার ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে বাঙালি ভাবাবেগকে কাজে লাগাতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শান দিচ্ছেন বাঙালি অস্মিতায়। সেই আবেগে শান দিতে পথে নেমেছে বাম কংগ্রেসও। এহেন আবহে বঙ্গে ঝটিকা সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সফরে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্টা বাঙালি আবেগে শান দেবেন তিনি? চর্চা চলছে রাজনীতির কারবারিদের মধ্যে। বাঙালিয়ানায় সাজতে চাইছে বঙ্গ বিজেপি। নব নির্বাচিত সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এর সংর্বধনা মঞ্চেই যা ধরা পড়েছিল। সেই বাঙালিয়ানার ছোঁয়া কি প্রধানমন্ত্রীর সভায় দেখা যাবে? আলোচনায় রাজনীতির কারবারিরা।