জমি-গাছ চুরি ইস্যুতে নতুন বিস্ফোরণ, মামলায় নাম জড়াল অভিষেকের - 24 Ghanta Bangla News
Home

জমি-গাছ চুরি ইস্যুতে নতুন বিস্ফোরণ, মামলায় নাম জড়াল অভিষেকের

Spread the love

নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় সরকারি খাস জমি নিয়ে বড়সড় অনিয়ম ও অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ১১০০ বিঘা সরকারি খাস জমির মাটি কেটে…

নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় সরকারি খাস জমি নিয়ে বড়সড় অনিয়ম ও অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ১১০০ বিঘা সরকারি খাস জমির মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছে(Abhishek Banerjee)  এবং পাশাপাশি কয়েক হাজার মূল্যবান সেগুন ও মেহগনি গাছ কেটে পাচারের ঘটনাও ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ১২ জনের বিরুদ্ধে কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলাকারীদের আইনজীবী শীর্ষেন্দু দাস এই বিষয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেছেন, যা স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলেও আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।(Abhishek Banerjee)

আইনজীবীর দাবি অনুযায়ী, নাকাশিপাড়ার ২৪ নম্বর মৌজার অন্তর্গত ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের (পূর্বতন ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক) পাশে এই বিশাল পরিমাণ খাস জমি দীর্ঘদিন ধরে লিজে দেওয়া ছিল। তবে সেই লিজের মেয়াদ ২০২০ সালেই শেষ হয়ে যায়। অভিযোগ, লিজের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ওই জমির উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে অবৈধভাবে মাটি খননের কাজ চালিয়ে যায়। এই মাটি অন্যত্র বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, প্রায় সাড়ে ৪০০ বিঘা জমি থেকে এভাবে মাটি কেটে সরিয়ে ফেলা হয়েছে, যা সরকারি সম্পদের বড় ধরনের ক্ষতি বলে মনে করছেন মামলাকারীরা।

শুধু মাটি নয়, আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার গাছ কাটা নিয়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই খাস জমিতে থাকা কয়েক হাজার সেগুন ও মেহগনি গাছ কেটে পাচার করা হয়েছে। এই গাছগুলো দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রাকৃতিক সম্পদের অংশ হিসেবে ছিল এবং পরিবেশগত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল। গাছ কেটে বিক্রি করার ফলে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে, তেমনই অন্যদিকে বিপুল আর্থিক ক্ষতিরও অভিযোগ উঠেছে।

এই মামলায় মোট ১২ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যেই অন্যতম নাম হিসেবে উঠে এসেছে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)  নাম। মামলাকারীদের আইনজীবী শীর্ষেন্দু দাসের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া মামলায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে।

আইনজীবী আরও জানান, লিজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও জমি ব্যবহার করে মাটি খনন ও গাছ কাটার ঘটনা সম্পূর্ণ বেআইনি। সরকারি খাস জমি সাধারণত প্রশাসনের অধীনে থাকে এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে লিজ প্রদান করা হয়। সেই নিয়ম লঙ্ঘন হলে তা আইনগত অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় প্রশাসনিক নজরদারির ঘাটতি রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের বিষয় হওয়া উচিত

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *