বলেছিল ফিরব, না ফেরার দেশেই পাড়ি রোহিতের
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর খালেক সর্দার ওই গুদামে পাইপলাইনের কাজ করছিলেন গত ৫ মাস ধরে। ঘটনার পরে যখন সর্বত্র উদ্বেগ, তখন বাড়িতে একবার ফোন করেছিলেন খালেক। ফোনে শুধু বলেছিলেন, আমি ভালো আছি। তার পর থেকে ফোন সুইচড অফ। আর পাওয়া যায়নি। তাঁর আত্মীয়-বন্ধুরা ছুটে এসেছিলেন তারাতলায়। কিন্তু সেখানে তাঁর খোঁজ মেলেনি। ভিতরে আটকে রয়েছেন কি না, তাও দেখার সুযোগ মেলেনি। তাঁর শ্যালক ইদ্রিস আলি তারাতলা থেকে ছুটে আসেন এসএসকেএম-এ। ট্রমা কেয়ার সেন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘ভালো থাকলে তো দেখা মিলত ওর। কিন্তু সে কোথায় বুঝতে পারছি না। হাসপাতালে আছে কি না, তাও জানি না। আমরা ভিতরেও ঢুকতে পারিনি। এ দিকে বাড়ির লোকেরা ফোন করে আমাকে পাগল করে দিচ্ছে।’