Minister Arjun Singh: গোটা বাংলায় জেটি তৈরি করছে শুধু ডায়মন্ড হারবারের ঠিকাদাররাই? দুর্নীতির ঘুঘু ধরতে বড় পদক্ষেপ অর্জুনের | Contractors from Diamond Harbour alone are constructing jetties across Bengal, what does Minister Arjun Singh have to saying about Trinamool - 24 Ghanta Bangla News
Home

Minister Arjun Singh: গোটা বাংলায় জেটি তৈরি করছে শুধু ডায়মন্ড হারবারের ঠিকাদাররাই? দুর্নীতির ঘুঘু ধরতে বড় পদক্ষেপ অর্জুনের | Contractors from Diamond Harbour alone are constructing jetties across Bengal, what does Minister Arjun Singh have to saying about Trinamool

Spread the love

ডায়মন্ড হারবার: এবার কী জেটি দুর্নীতিতে ডায়মন্ড হারবার মডেল? বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন পরিবহন মন্ত্রী। ডায়মন্ড হারবারের ঠিকাদাররাই বাংলাজুড়ে জেটি কেন বানাচ্ছেন? তাঁর অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবারে ২০ লক্ষ টাকার জেটি তৈরি করা হচ্ছে, অথচ বিল করা হচ্ছে দেড় কোটি টাকার। সোজা কথায় জেটি কেলেঙ্কারিতে এবার বিগত সরকারের দিকেই আঙুল তুলছেন অর্জুন সিং। অর্জুনের সাফ কথা, “যে জেটি বানাতে ২০ লাখ লাগছে সেখানে দেড় কোটির বিল দেওয়া হয়েছে। সেই জেটি আবার ভেঙেও গিয়েছে।” ইতিমধ্যেই এ ঘটনায় অবিলম্বে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছেন পরিবহন মন্ত্রী। 

ডায়মন্ড হারবারের কুকরাহাটি জেটি ঘাটে পৌঁছে গিয়েছিল টিভি৯ বাংলা। ২০২০ সালের মে মাসে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়েছিল এই জেটি ঘাট। ভেঙেও যায়। তারপর সেটাকে  নতুন করে তৈরি করা হয়। চালু হয়ে যায় সেপ্টেম্বরই। এলাকার এক যাত্রী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, “২০ থেকে ৫০ লাখ টাকার কাজ হতে পারে। কিন্তু আমি শুনেছি দেড় কোটি টাকা বিল করেছে। টয়লেট, জলের ব্যবস্থা কিছুই নেই। শুধু তো টাইলস বসিয়েছ আর পাঞ্চিং মেশিন। দেড় কোটি টাকা খরচ কী করে হতে পারে?” আর এক যাত্রী বলছেন, “এরকম অনেক জেটি আছে। ডায়মন্ড হারবারে রয়েছে, রায়চকে আছে। একবছরের মাথায় কো কত জেটি উধাও হয়ে গিয়েছে।” 

অর্জুন সিং বলছেন, “আমি এফআইআর করতে নির্দেশ দিয়েছি। বেশিরভাগ যাঁরা জেটির কাজ করে সব ডায়মন্ড হারবারের। ওরাই গোটা বাংলায় জেটি বানাচ্ছে।” প্রাক্তন পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলছেন, “১৫ বছরের সরকারে আমি সাড়ে তিন বছর মন্ত্রী ছিলাম। আমার সময়ে যে কাজকর্ম হয়েছে তা প্রকৃত টেন্ডার ডেকে, নিয়মের মধ্যে করতে বলা হয়েছিল। কোথাও যাতে অনিয়ম না হয় তাও দেখতে বলা হয়েছিল। এখন অভিযোগ মানেই সত্যতা আছে কি নেই এখন তো বলা যাবে না। সেটা তদন্ত সাপেক্ষ। ওনারা চাইলে দেখতে পারেন। আমার পক্ষে যেটুকু সহযোগিতা করার আমি নিশ্চয় করব।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *