‘ওই স্বাক্ষর আমার নয়’, ব্যাঙ্কশাল কোর্টে স্পষ্ট বার্তা অরূপ রায়ের - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘ওই স্বাক্ষর আমার নয়’, ব্যাঙ্কশাল কোর্টে স্পষ্ট বার্তা অরূপ রায়ের

Spread the love

বিধানসভার সই-বিতর্ককে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে যখন জোর চর্চা চলছে, তখন বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির হলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অরূপ রায় (Arup roy) । হাতের লেখা ও স্বাক্ষর …

বিধানসভার সই-বিতর্ককে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে যখন জোর চর্চা চলছে, তখন বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির হলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অরূপ রায় (Arup roy) । হাতের লেখা ও স্বাক্ষর যাচাইয়ের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাঁকে আদালতে ডাকা হয়েছিল। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় স্পষ্ট দাবি করেন, সিআইডি তাঁকে যে স্বাক্ষর দেখিয়েছে, সেটি তাঁর নয়।

অরূপ রায় (Arup roy) জানান, সিআইডির পক্ষ থেকে নোটিস পাঠিয়ে তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই তিনি আদালতে উপস্থিত হন। তবে তিনি এও জানান যে, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি স্বাক্ষর করেছিলেন। (Arup roy) কিন্তু তদন্তকারী সংস্থা যে স্বাক্ষরটিকে তাঁর বলে দাবি করছে, তা তিনি মানতে নারাজ।অরূপ রায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে মিটিংয়ে আমি সই করি। তবে সিআইডি আমার সই বলে যেটা আমাকে দেখিয়েছে, সেটা আমার নয়।” তাঁর এই মন্তব্যের পর সই-বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে।

সূত্রের খবর, বিধানসভা-সংক্রান্ত একটি নথিতে থাকা কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর তদন্ত শুরু করে সিআইডি। সেই তদন্তের অংশ হিসেবেই আদালতের অনুমতি নিয়ে কয়েকজন বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে চার জন বিধায়ককে হাজির হতে বলা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন অরূপ রায়, বাহারুল ইসলাম, সমর মুখোপাধ্যায় এবং শুভাশিস দাস।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ওই চার বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা এবং স্বাক্ষর সংগ্রহের কথা রয়েছে। পরে তা ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হতে পারে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে। আদালত ইতিমধ্যেই এই স্বাক্ষর ও হাতের লেখা পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে।

এই বিতর্কের সূত্রপাত একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে ঘিরে। জানা গিয়েছে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে স্পিকারের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সেই চিঠিতে একাধিক বিধায়কের সমর্থন ও স্বাক্ষর ছিল বলে দাবি করা হয়। পরবর্তীতে ১৮ মে বিধানসভার প্রধান সচিব সংশ্লিষ্ট রেজোলিউশনের কপি পাঠানোর নির্দেশ দেন। যে নথির কপি পাঠানো হয়েছিল, তাতে মোট ৭০ জন বিধায়কের স্বাক্ষর ছিল বলে জানা যায়। তবে সেই তালিকায় থাকা ১০ জন বিধায়কের নাম বড় হাতের ইংরেজি অক্ষরে লেখা ছিল। এরপরই কয়েকটি স্বাক্ষরের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। অভিযোগ ওঠে, কিছু স্বাক্ষর সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের আসল স্বাক্ষরের সঙ্গে মিলছে না। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে সিআইডি।

তদন্তকারী সংস্থা স্বাক্ষরগুলির সত্যতা যাচাই করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। আদালতের অনুমতি মেলার পরই সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের ডেকে হাতের লেখা ও স্বাক্ষরের নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর ফলে সই-বিতর্কের তদন্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *