মরুভূমির আড়ালে রহস্যময় অষ্টভুজ, পারমাণবিক ঘাঁটির কাছে লঞ্চ প্যাড, সড়ক, যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চিন?
কোনও পারমাণবিক হামলা হলে, শত্রুপক্ষ যেন চিনের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে না পারে, সেটাই মূল উদ্দেশ্য। অর্থাৎ প্রথম হামলার পরে বেজিংয়ের যাতে পাল্টা আঘাত হানার ক্ষমতা থাকে, সে ভাবেই পরিকাঠামো তৈরি করছে তারা। চিনের পারমাণবিক নীতির অন্যতম ভিত্তি হল ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ বা আগে থেকে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার প্রতিশ্রুতি। অর্থাৎ, তারা প্রথমে পারমাণবিক হামলা চালানোর পক্ষপাতী নয়। তবে কোনও শত্রুদেশ যদি আগে পরমাণু আঘাত হানে, সেক্ষেত্রে শক্তিশালী পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা বজায় রাখতেই জোর দিচ্ছে বেজিং।
চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির হাতে সাবমেরিন ও যুদ্ধবিমান থেকে পরমাণু অস্ত্র নিক্ষেপের ক্ষমতা থাকলেও, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শিনজিয়াং ও গানসু প্রদেশে অবস্থিত ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলিই তাদের পারমাণবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ বার সেখানেই নতুন পরিকাঠামো তৈরির খবরে ভারত, আমেরিকা-সহ গোটা বিশ্বেরই চিন্তা বাড়ল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।