বিপুল আর্থিক লেনদেন, পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতে রমরমা ‘কাউন্সিলার কোটা’র, ‘মাস্টারমাইন্ড’ সুজিতই, দাবি ইডির
কিন্তু এই কাউন্সিলার কোটা ব্যাপারটা কী রকম?
তদন্তে জানা গিয়েছে, কাউন্সিলার কোটা–তে প্রত্যেক কাউন্সিলার দু’জন ও চেয়ারম্যান পারিষদদের প্রত্যেকে পাঁচ জন প্রার্থীর নাম সুপারিশ করতেন। অর্থাৎ, বেআইনি কোটা, পুরসভার চাকরিতে অনিয়মের কোটা— যে কোটা–তে চাকরির ক্ষেত্রে বিপুল আর্থিক লেনদেন হয়েছিল বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা জেনেছেন। ইডি–র দাবি, এ রকমই বেআইনি বা তথাকথিত কোটা–তে দক্ষিণ দমদম পুরসভার এক কর্তার স্ত্রী ও ভাই চাকরি পান এবং সেই চাকরি হয় রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী ও পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেপ্তার হওয়া সুজিত বসুর সুপারিশে। এই তথ্য সংক্রান্ত নথি ইডি আদালতে পেশ করেছে। ২০০৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত দক্ষিণ দমদমের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন সুজিত বসু।