China: চিনা অস্ত্রভাণ্ডারে এমন সব অত্যাধুনিক অস্ত্র, দেখে CIA-ও ভয়ে কাঁপে | Even the cia trembles with fear after seeing such sophisticated weapons in the chinese arsenal - 24 Ghanta Bangla News
Home

China: চিনা অস্ত্রভাণ্ডারে এমন সব অত্যাধুনিক অস্ত্র, দেখে CIA-ও ভয়ে কাঁপে | Even the cia trembles with fear after seeing such sophisticated weapons in the chinese arsenal

Spread the love

সদ্যই আলোচনার টেবিলে বসেছেন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ২ রাষ্ট্রনেতা। ট্রাম্পের ঐতিহাসিক চিন সফরে আলোচনায় উঠে এল ইরান যুদ্ধ, তাইওয়ান পরিস্থিতি, পরমাণু অস্ত্রের প্রসঙ্গ। কিন্তু মুখে আলোচনার কথা বললেও বেজিং আস্তিনের নিচে অস্ত্রের বহর বাড়াচ্ছে।

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের তৃতীয় মাসে শান্তির খোঁজে ট্রাম্প ও শি। এর মধ্যে আবার ইজরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে ইরানের যুদ্ধবিরতি চেয়ে দালালি করছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের বুকে খানিকটা সাহস জুগিয়েছে চিন। চিন জানিয়েছে, ট্রাম্পের বেজিং সফরে তারাও দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনা চেয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা কাটাতে বেজিং ও ইসলামাবাদ একযোগে চাপ বাড়াচ্ছে ইরান সরকারের উপর। কিন্তু তলে তলে চিন আবার ইরানকে অস্ত্র সরবরাহও অব্যাহত রেখেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একটা অংশের দাবি। যে হারে চিন নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে, জানলে চমকে উঠবেন। ২০২৭-এর মধ্যে বেজিংয়ের তালিকায় এমন সব হাতিয়ার জুড়েছে, যা ওয়াশিংটনের বুকেও কাঁপুনি ধরাবে।

১. ড্রোন মাদারশিপ

Drone Mothership

১৬ হাজার কিলোগ্রামের দৈত্যাকৃতির চালকবিহীন ড্রোন। নামেই ড্রোন, আসলে কয়েকশো ছোট হামলাকারী ড্রোন ও মিসাইলের বসতবাড়ি। যুদ্ধের সময় এই একটা ‘মাদার ড্রোনশিপ’ থেকে শয়ে শয়ে আত্মঘাতী হামলাকারী ড্রোন আছড়ে পড়বে শত্রুর উপরে। চিনা নাম- ‘জিউ তিয়ান’। সোজা বাংলায়, নবম স্বর্গ। ২০২৪ থেকে চিনা ডিফেন্সের মেরুদণ্ড।

ক্ষমতা:

  • একটানা ৭০০০ কিলোমিটার উড়তে পারে
  • ৬ হাজার কিলোগ্রাম বিস্ফোরক বহনে সক্ষম
  • পেটের ভিতর কয়েকশো আত্মঘাতী ড্রোন ও মিসাইল
  • নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ ও যুদ্ধের উপযোগী
  • একসঙ্গে ঝাঁকে ঝাঁকে মিসাইল ও ড্রোন হামলা

২: চিনা হাইপারসনিক মিসাইল

আমেরিকাকে চাপে রাখতে নিজেদের হাইপারসনিক মিসাইল ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করছে বেজিং। তাদের নতুন DF-17 মিসাইল সড়কপথে বয়ে নিয়ে যাওয়া সহজ। ছুঁড়তেও খুব কম সময় লাগে। এই মিডিয়াম রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন চর জাহাজকে চাপে রাখতে বানানো। একসঙ্গে চিনা অস্ত্র ভাণ্ডারে রয়েছে YJ-21, ২০ ও ১৭ এয়েরো-ব্যালিস্টিক মিসাইল। ২০২৬-এ CIA-র একটি রিপোর্ট বলছে, এরকম বেশ কয়েকটি চিনা মিসাইলের জবাব আমেরিকার ডিফেন্সের কাছে নেই।

ক্ষমতা

  • সবকটি মিসাইলের পাল্লা ২৫০০ কিলোমিটারের বেশি
  • মাঝআকাশে মিসাইলের গতিপথ পাল্টানো যায়
  • শব্দের চেয়ে দ্রুত ছোটে, আটকানো মুশকিল
  • প্রথাগত জ্বালানির বদলে অত্যাধুনিক ফুয়েল
  • তাইওয়ানে হামলার জন্য তৈরি করেছে চিনা সেনা

৩. চিনা পরমাণু অস্ত্রের ভাণ্ডার

Icbm (1)

গত কয়েক বছরে চিন নিজেদের পরমাণু ভাণ্ডারকে দ্বিগুণ করেছে। আজ চিনের কাছে ৬২০-রও বেশি পরমাণু বোমা রয়েছে। ২০৩৫-এর মধ্যে সংখ্যাটা ১৫০০-র কাছাকাছি নিয়ে যাবে বেজিং। শি জিংপিনের লক্ষ্য, আগামী কয়েক বছরে আমেরিকা ও রুশ পরমাণু ভাণ্ডারের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া। সেই কারণে

ক্ষমতা

  • পশ্চিম চিন জুড়ে ৩০০-রও বেশি ICBM মজুত
  • একটি মিসাইল থেকে একাধিক বোমা নিক্ষেপে সক্ষম
  • জল, স্থল ও ভূমি থেকে পরমাণু হামলার দক্ষতা
  • হামলা হলে, দ্রুত পাল্টা হামলা চালানোর সক্ষমতা
  • গোপন ডুবোজাহাজ থেকে ICBM হামলা চালাতে প্রস্তুত

এত শুধু প্রকাশ্যে আসা চিনা প্রযুক্তিগুলির কথা উল্লেখ করা হল। আন-ম্যানড বা মনুষ্যহীন হামলা চালানোর দক্ষতাকেও অনন্য পর্যায়ে নিয়ে গেছে চিন। FH 97 combat aircraft বা JG13 drone- চালাতে চিনের কোনও লোক লাগে না। সীমান্ত পাহারা দিতে আজ রোবট নামিয়েছে বেজিং। মার্কিন নজরদারি স্যাটেলাইটের নজর এড়িয়ে Guam Killer বা DF-26D-র মতো মিসাইলকে অ্যান্টি -অ্যাক্সেস এরিয়া-তে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি সেনার এক প্যারেডে চিনা অস্ত্রভাণ্ডারের কয়েকটি ঝলক দেখতে পাওয়া গেছে। সূত্রের দাবি, চিনা সেনার অস্ত্র দেখে মার্কিন গোয়েন্দা দফতর CIA-র কর্তাদেরও মাথায় হাত পড়ে গেছে। চিন হামলা চালালে কীভাবে মোকাবিলা করা যাবে, এই ভেবেই এখন কূল পাচ্ছে না পেন্টাগন। তাই আপাতত চিনকে, তাদের পরমাণু অস্ত্র ভান্ডারকে আরও শক্তিশালী করা থেকে বিরত রাখতে সবরকম চেষ্টা করবেন ট্রাম্প। তাই কি বেজিংয়ে বেনজির সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *