Kolkata Municipal Corporation: মালার ডাকে ভিজিটার্স রুমেই হল তৃণমূল কাউন্সিলরদের অধিবেশন, তবু অনুপস্থিত ৫০-র বেশি | Ruling Party Councilors Hold a Session in the Visitors’ Room in KMC, More Than 50 Remain Absent
কী বলছেন মালা-ফিরহাদ? Image Credit: TV 9 Bangla
কলকাতা: গেরুয়া ঝড়ে লালবাড়িতে চূড়ান্ত নাটক। নজিরবিহীন ঘটনা কলকাতা পুরসভায়। পুরসভার কমিশনার স্মিতা পান্ডে বিজ্ঞপ্তি জারি জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভায় মাসিক অধিবেশন বাতিল। অথচ কলকাতা পৌরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায় কাউন্সিলর গ্রুপে বার্তা দিয়েছিলেন শাসকদলের প্রত্যেক কাউন্সিলরকে আসতে হবে দুপুর দেড়টা নাগাদ। সোজা কথায়, অধিবেশন নেই, অথচ কাউন্সিলরদের বাধ্যতামূলক উপস্থিতি। অধিবেশন করতেই হবে, এরকমই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছিল পুরসভার শাসকদলের কাউন্সিলররা। শেষ পর্যন্ত মালার ডাকে ভিজিটার্স রুমে হল তৃণমূল কাউন্সিলরদের অধিবেশন। কারণ, পুরসভার অধিবেশন কক্ষ ভিতর থেকে বন্ধ রইল।
সচিবের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তোপের পর তোপ দাগতে দেখা গেল ফিরহাদ থেকে মালা রায়কে। ফিরহাদের সাফ কথা, “অধিবেশন বাতিলের পর কলকাতায় কোনও বিপর্যয় হলে দায় কে নেবে? অধিবেশন ইচ্ছামতো বাতিল করা যায় না। সচিব নয়, অধিবেশন যদি কেউ বাতিল করতে পারেন চেয়ারপার্সন। যেভাবে অধিবেশন বাতিল করা হয়েছিল, সেটা গণতন্ত্রের অপমান। অধিবেশন না হলে পুর-পরিষেবা স্বাভাবিক থাকবে কীভাবে? গণতন্ত্রের উপরে কেউ নয়, তাই গণতন্ত্রে রক্ষা করুন। আমরা সকলে একসঙ্গে লড়ব।”
তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মালা রায়ও। বলেন, “অধিবেশন ডাকার ক্ষমতা আইন চেয়ারপার্সনকেই দিয়েছে। সেই মতো আজ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। সেটা চিঠি দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের জানান পুর সেক্রেটারি। এটাই চিরাচরিতভাবে দেখে আসছি। অনেক সময় অনেক বোর্ড দখল হলেও এই নিয়ম কখনও বদলায়। কিন্তু, গতকাল কোনওরকম কারণ না দেখিয়ে রাতে বাতিল করে দেওয়া হয় অধিবেশন। আমি সেক্রেটারিকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছি কোনও আইন বলে, কার নির্দেশে তিনি অধিবেশন বন্ধ রেখেছেন? কেন চেয়ারপার্সনকে জানালেন না?” সূত্রের খবর, মোট ১৩৬ জন তৃণমূল কাউন্সিলরদের মধ্যে এদিন হাজির ছিলেন ৮৬ জন। বাকি ৫০ জনের কাছাকাছি কাউন্সিলর অনুপস্থিত ছিলেন। তৃণমূলের তরফে বার্তা পাঠানোর পরেও তাঁরা কেন এলেন তা নিয়ে যদিও বাড়ছে চাপানউতোর। তাহলে কী দলে মধ্যেই ফাটল চওড়া হচ্ছে? প্রশ্ন ঘুরছে।