তিন সদস্যের সিট গঠন, আরজি করের ঘটনায় ফের তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের
এ দিন শুনানির সময়ে পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় ও শীর্ষেন্দু সিংহ রায় দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের পিছনে একাধিক চক্র থাকার সম্ভাবনা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তাঁরা বলেন, ‘একজন ব্যক্তির অডিও এবং ভিডিয়ো আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। যদিও এই মুহূর্তে কোনও নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ করা হচ্ছে না।’ এ দিন বিষয়টি নিয়ে সওয়াল–জবাবের সময়ে তাঁদের সঙ্গে সিবিআইয়ের কৌঁসুলি রাজদীপ মজুমদারের বাদানুবাদ শুরু হয়ে যায়। কেন পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া উচিত, সেই যুক্তি দিতে গিয়ে জয়ন্ত ৯ অগস্ট সকালের প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ‘সেদিন সকালে চিকিৎসক তরুণীর মায়ের কাছে তিনটি কল এসেছিল। তাতে একেকবার একেক রকম তথ্য দেওয়া হয়। গোটা ঘটনায় কোনও না কোনও অসৎ উদ্দেশ্য বা গরমিল ছিল।’ আইনজীবী আরও দাবি করেন, ‘চরম জরুরি পরিস্থিতিতে পরিবার সেদিন দুপুর ১২টা নাগাদ হাসপাতালে পৌঁছোয়। তাঁদের তৃতীয় তলায় (চেস্ট বিভাগ) নিয়ে গিয়ে বিভাগীয় প্রধানের ঘরে বসিয়ে রাখা হয়। সঙ্গে সঙ্গে মৃতদেহ দেখতে দেওয়া হয়নি। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়। এমনকী, কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়।’