Abhishek Banerjee Property Inspection: অভিষেকের বাড়ির ভিতর কী কী অবৈধ? কেন নোটিস? ৪০০(১) ধারায় কী বলা রয়েছে? | KMC Scans Abhishek Banerjee Properties, Notice Sent to Kalighat House ‘Shantiniketan’ - 24 Ghanta Bangla News
Home

Abhishek Banerjee Property Inspection: অভিষেকের বাড়ির ভিতর কী কী অবৈধ? কেন নোটিস? ৪০০(১) ধারায় কী বলা রয়েছে? | KMC Scans Abhishek Banerjee Properties, Notice Sent to Kalighat House ‘Shantiniketan’

Spread the love

অভিষেকের বাড়ি নিয়ে নোটিস Image Credit: TV9 Bangla

কলকাতা:  আভাস আগেই দিয়ে রেখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার কলকাতা পৌরনিগমের স্ক্যানারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি। ইতিমধ্যেই নোটিস পাঠানো হয়েছে ‘শান্তিনিকেতন’, কালীঘাটের বাড়িতে! ২ দিন আগেই কলকাতা পৌরনিগমের আধিকারিকরা ইন্সপেকশনে এসেছিলেন। সূত্রের খবর,  তাঁরা দেখে গিয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে ও কালীঘাটের বাড়িতে বেশ কিছু অবৈধ নির্মাণ হয়েছে। বেশ কিছু অংশ ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে।

কীসের ভিত্তিতে নোটিস? 

এই কারণেই ৪০০ (১) ধারায় ১৮৮ A হরিশ মুখার্জি রোড,  ১২১ কালীঘাট রোডে ‘অভিষেক হার্ডওয়্যার’ দোকানটি যে বাড়ির নীচে (সেটি মূলত অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে) সেখানেও বেশ কিছু অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে, তার ভিত্তিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। দুটি বাড়ির অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই দুটি নোটিসে।

উল্লেখ্য, হরিশ মুখার্জিতে ‘শান্তিনিকেতন’ বাড়িটিকে কখনই নিজের বাড়ি বলে নথিতে দেখাননি অভিষেক। নির্বাচনী হলফনামাতেও অভিষেক এই বাড়িটিকে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র কোম্পানির দেওয়া বাড়ি হিসাবে উল্লেখ করেছেন। যে কারণে এই নোটিস ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র নামেই দেওয়া হয়েছে। কালীঘাটের বাড়িটি মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে, তাঁর নামেই নোটিস ধরানো হয়েছে।

এবার প্রশ্ন কলকাতা পৌরনিগমের ৪০০ (১) ধারায় কী রয়েছে?

কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (KMC) আইন, ১৯৮০-এর ধারা ৪০০(১) মূলত কলকাতায় বেআইনি বা নিয়মবহির্ভূত নির্মাণ ভাঙা এবং তা নিয়মের মধ্যে আনার বিষয়ে পুরসভাকে ক্ষমতা দেয়।

ধারা ৪০০(১) কী?

যদি কোনও ভবন বা কনস্ট্রাকশনের কাজ বৈধ অনুমোদন ছাড়া করা হয়, অথবা কেএমসি-র বিল্ডিং নিয়ম লঙ্ঘন করে তৈরি করা হয়, তবে মিউনিসিপ্যাল কমিশনারের সেই বিল্ডিংটি ভেঙে ফেলার বা পরিবর্তন করার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।

 কেএমসি-র অনুমতি ছাড়া অথবা নিয়মের তোয়াক্কা না করে কোনও নতুন নির্মাণ, অতিরিক্ত অংশ জোড়া বা পরিবর্তন করার কাজ শুরু করলে, চললে বা শেষ হলে এই ধারা কার্যকর হয়।

 বেআইনি নির্মাণের জন্য দায়ী ব্যক্তিকে কেএমসি-র তরফ থেকে একটি লিখিত নোটিস দেওয়া হবে। কেন তাঁর ওই নির্মাণটি ভেঙে ফেলা হবে না—তা জানানোর জন্য তাঁকে ৫ থেকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়।

নোটিসের পর একটি শুনানিও হয়। তার ভিত্তিতে স্পেশাল অফিসার সিদ্ধান্ত নেন,  নির্মাণটি আংশিক ভাঙা হবে না সম্পূর্ণ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *