Ankita Chakraborty: দেবালয়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে আইনি পথে অঙ্কিতা, কী ঘটেছিল সেই রাতে? | Ankita files case against debalaya allegations and legal updates
অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তীর শ্লীলতাহানি করেছেন পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্য! এই অভিযোগের ঘটনা নিয়ে এতদিন উত্তাল ছিল সোশাল মিডিয়া। তবে এবার আর ফেসবুক ওয়ালে নয়, বরং পরিচালক দেবালয়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সব অভিযোগ এনে আইনি পথে হাঁটলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অঙ্কিতা চক্রবর্তী। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকেই অঙ্কিতা স্পষ্ট করলেন, দেবালয় তাঁর সঙ্গে কী করেছিলেন। পরিচালকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে, আইনি নোটিস পাঠালেন অঙ্কিতা। আইনি নোটিস অনুযায়ী, দেবালয়কে ৭ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় পরিচালককে ঘটনার কথা স্বীকার করে বিবৃতি দিতে বলা হয়েছে। পরিচালক যদি এটি না করেন, তাহলে এফআইআরও করা হবে বলে জানিয়েছেন অঙ্কিতা।
তা ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন রাতে?
বেশ কয়েকবছর আগের ঘটনা। অঙ্কিতার দাবি, একটি পার্টি চলছিল। সেই পার্টিতে হাজির ছিলেন পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্য। দেবালয়কে আগে থেকেই চিনতেন। তাই দেবালয় সম্পর্কে কোনও অস্বস্তিবোধ করেননি তিনি। কিন্তু হঠাৎ যে এমনটা ঘটবে, তা আগে থেকে আন্দাজ করতে পারেননি অঙ্কিতা। অঙ্কিতার দাবি,
পার্টির মাঝে অঙ্কিতার হাত ধরে টেনে একটি ঘরে নিয়ে যান দেবালয়। অঙ্কিতার পিঠ ঠেকে যায় দেওয়ালে। তারপর দেবালয় চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেন। তখনই বুঝতে পারেন, ঠিক ঘটাতে চলেছেন পরিচালক। নিজেকে সামলে দ্রুত সেই ঘর বেরিয়ে যান অঙ্কিতা।
গতসপ্তাহেই ফেসবুকে দেবালয়ের এমন কীর্তি প্রথম ফাঁস করেন অঙ্কিতা। দেবালয়ের করা একটি পোস্টকে ট্যাগ করে অঙ্কিতা লিখেছিলেন, ”তোমার মতো নোংরা পারভার্ট ব্রাহ্মণদের কী করে শ্রদ্ধা করি বলো তো? যারা নিজের বন্ধুর মেয়ের পিঠে হাত বোলাতে ছাড়ে না। (যেটা করেছ, সেটা লিখতে আমার লজ্জা লাগছে, তাই পিঠে হাত বোলাতেই লিখলাম।) মদ খেয়ে অভিনেত্রীদের নিতম্বে হাত বোলায়, জোর করে ওই নোংরা গুটখা খাওয়া দাঁতে চুমু খেতে আসে? আর বাধা দিলে…পরের দিন নেশা কাটার পরে ক্ষমা না চেয়ে সঙ্গে-সঙ্গে বিভিন্ন কাজ থেকে কাঠি করে থাকে। দেখা হলে চিনতেও পারে না…রাতারাতি পছন্দের অভিনেত্রী কী ভাবে যেন অচেনা হয়ে যায়। আপাতত আমি আমার আর ওর কথা বললাম।”
অঙ্কিতা চক্রবর্তী। টেলি ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ। ইষ্টিকুটুম ধারাবাহিকে দুর্দান্ত অভিনয় করে বাঙালির ড্রয়িং রুমে জায়গা করেছিলেন। এরপর বহু ধারাবাহিকেই তাঁকে দেখা গিয়েছিল। শুধু সিরিয়াল নয়, নজর করেছিলেন বড়পর্দাতেও। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যোমকেশ ফিরে এলো (২০১৪), ব্যোমকেশ বক্সী (২০১৫), ব্যোমকেশ ও চিড়িয়াখানা (২০১৬), এবং ব্যোমকেশ ও অগ্নিবান। অন্যদিকে সিরিজ, সিনেমার হাত ধরে পরিচালক দেবালয় ভট্টাচার্য টলিউডে দারুণ জনপ্রিয়। ড্রাকুলা স্যার, শ্রী স্বপনকুমারের বাদামী হায়েনার কবলে, মন্টু পাইলট, ইন্দুবালা ভাতের হোটেল দর্শকের মন জয় করেছিল।