সমুদ্রশাস্ত্র অনুযায়ী কোঁকড়ানো চুল কি সৌভাগ্য ও Shukra Graha-র প্রতীক? Ei Samay
মানুষের মুখের গঠন, গায়ের রং, উচ্চতা কিংবা চুলের ধরন— সব কিছুই সেই ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কথা বলে দেয়, নানা ইঙ্গিত দেয়। সেই সব বর্ণনা করা রয়েছে প্রাচীন সমুদ্রশাস্ত্রে। তেমন সমুদ্রশাস্ত্র অনুসারে, চুল শুধু মানুষের সৌন্দর্যের অংশ নয়, এই চুল সেই ব্যক্তির স্বভাব, আচরণ ও মানসিকতারও প্রতিফলন বটে। কোঁকড়ানো বা কার্লি চুল পছন্দ অনেকেরই। এই চুল সবার থাকে না। তবে কঙ্গনা রানাউত হোক বা তাপসী পান্নু কার্লি চুলেই ঝড় তুলেছেন ভক্তদের মনে। সমুদ্রশাস্ত্রেও এই চুলের অধিকারী ব্যক্তিদের আকর্ষণীয় ও অনন্য ব্যক্তিত্বের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র ও সমুদ্রশাস্ত্র অনুযায়ী, এই ধরনের চুলের সঙ্গে শুক্র গ্রহের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে বলেও বিশ্বাস করা হয়। কেমন হয় তাঁদের চরিত্র?
চুলের গঠন ও শুক্র গ্রহের সংযোগ
জ্যোতিষ মতে, প্রেম, সৌন্দর্য, আকর্ষণ, বিলাসিতা, শিল্পবোধ ও সুখের কারক গ্রহ শুক্র। যাঁদের জন্মছকে শুক্র শক্তিশালী অবস্থানে থাকে, তাঁদের ব্যক্তিত্ব সাধারণত চৌম্বকীয় ও আকর্ষণীয় হয়। এই ব্যক্তিরা সহজেই অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন।
প্রচলিত বিশ্বাস, যাঁদের চুল স্বাভাবিক ভাবেই কোঁকড়ানো, তাঁদের মধ্যে ‘লক্ষ্মী তত্ত্ব’ প্রবল থাকে। অর্থাৎ তাঁরা জীবনে ধন-সম্পদ, আরাম-আয়েশ ও ঐশ্বর্যের অধিকারী হন। তাঁরা সাধারণত সৌভাগ্যের অধিকারী হন। ভাগ্যের জোড়ে জয় করতে পারেন অসম্ভবকেও।