Shahidul Haque On TMC: নন্দীগ্রামে শুভেন্দুকে হারাতে ১০০ কোটি বাজেট ধরেছিল TMC, বিস্ফোরক দাবি কবীরের দলের নেতার | Shahidul Haque accuses TMC and I PAC of secret poll funding and money distribution
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রীImage Credit: TV9 Bangla
পূর্ব মেদিনীপুর: শুভেন্দু অধিকারীকে হারাতে তৃণমূল কংগ্রেসের কোটি কোটি টাকার গোপন বাজেট, খামে করে টাকা বিলি এবং সেই টাকার উৎস পাকিস্তান-বাংলাদেশ যোগ! বিস্ফোরক দাবি ‘আমজনতা উন্নয়ন পার্টি’র প্রার্থী তথা রাজ্য মুখপাত্র সহিদুল হকের। বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বাধীন দলের এই প্রার্থীর সরাসরি নিশানায় এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC)।
নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী সহিদুল হকের দাবি, নন্দীগ্রামে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে যে কোনও মূল্যে পরাজিত করতে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব জলের মতো টাকা উড়িয়েছে। সহিদুলের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইপ্যাক যৌথভাবে শুভেন্দুকে হারানোর জন্য ১০০ কোটি টাকার একটি বিশাল বাজেট তৈরি করেছিল।
তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটের আগে নন্দীগ্রামের ঘরে ঘরে আইপ্যাকের মদতে এবং তৃণমূল নেতাদের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে খামে ভরে নগদ টাকা বিলি করা হয়েছিল। টাকা বিলি করা হলেও নন্দীগ্রামের সচেতন মানুষ তৃণমূলের সেই ফাঁদে পা দেননি বলে দাবি করেছেন সহিদুল হক। তাঁর কথায়, “নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষ তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকজনের কাছ থেকে খামভর্তি টাকা ঠিকই নিয়েছেন, কিন্তু বুথে গিয়ে ভোটটা দিয়েছেন বিজেপিকেই। টাকা নিয়ে পকেটস্থ করলেও, পবিত্র করকে ভোট না দিয়ে রাজ্যে একটা সুস্থ সরকার গঠনের লক্ষ্যে তাঁরা শুভেন্দু অধিকারীকেই বেছে নিয়েছেন। নন্দীগ্রামের এই শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে আমি স্যালুট জানাই।”
সহিদুল হকের আরও অভিযোগ, এই নির্বাচনী তহবিলের উৎস নিয়ে। তাঁর দাবি, এই বিপুল পরিমাণ টাকা কোনো বৈধ উপায়ে আসেনি। সহিদুল হকের স্পষ্ট অভিযোগ, “নন্দীগ্রামে ছড়ানো এই ১০০ কোটি টাকা এসেছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান সহ বিভিন্ন বিদেশ থেকে। হাওয়ালা বা অন্য কোনও বেআইনি রুটে এই বিপুল বিদেশি টাকা এরাজ্যের নির্বাচনে ব্যবহার করা হয়েছে।” এই বিদেশি টাকা এন্ট্রি ও বিলির নেপথ্যে সরাসরি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন দাবি করে তিনি বলেন, “দেশবিরোধী এই আর্থিক চক্রান্তের জন্য অবিলম্বে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোমরে দড়ি বেঁধে গ্রেফতার করা উচিত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED এবং CBI দিয়ে এই টাকার উৎসের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত হওয়া দরকার।”