ভোট–পরবর্তী হিংসায় নিহত ১০, আক্রান্ত তিন হাজার, দাবি তৃণমূলের
অন্য দুই সাংসদ দোলা সেন ও শর্মিলা সরকারের নেতৃত্বে আর একটি টিম ময়না, তমলুক, হলদিয়ায় যায়। আবার সাংসদ সাজদা আহমেদ, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, সুস্মিতা দেবের নেতৃত্বে আর একটি টিম যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি, মন্দিরবাজার, মথুরাপুর এলাকায়। মথুরাপুরে বাপুলিবাজারে তৃণমূলের অফিস বিজেপির লোকজন ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। সুস্মিতারা ওই অফিস ঘুরে দেখেন। সুস্মিতা বলেন, ‘বিজেপি যখন মারতে এসেছিল তখন কেন্দ্রীয় বাহিনী তৃণমূলের নেতা–কর্মীদের প্রটেকশন দেয়নি। বিজেপি যাতে হামলা চালাতে পারে, পুলিশ বরং তেমন পরিস্থিতি তৈরি করে। সারা রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১০ জন তৃণমূলকর্মী মারা গিয়েছেন। তিন হাজারের বেশি কর্মী আক্রান্ত।’ ময়নায় গিয়ে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেনের অভিযোগ, নির্বাচিত পঞ্চায়েত ভেঙে দেওয়ার জন্যেও বিজেপি চাপ দিচ্ছে। দোলার বক্তব্য, ‘সব জায়গায় বলা হচ্ছে পঞ্চায়েতের কমিটি ভেঙে দেওয়া হলো। ভোট–পরবর্তী হিংসা নিয়ে কোর্টে মামলা হয়েছে। যে তথ্য আমরা পেয়েছি তা কোর্টে জানানো হবে।’