Bishnupur TMC MLA: বছর চারেক আগেও ছিল মাটির বাড়ি, বর্তমানে বিষ্ণুপুরের বিধায়কের ‘বাড়াবাড়ি’ দেখে চোখ কপালে জনতার | Luxurious Properties of Bishnupur TMC MLA Dilip Mondal Trigger Massive Political Debate
পৈলান: ‘১৫ বছর ভালো রেখেছিলাম, আর হবে না।’ বিজয় মিছিল থেকে হুমকিই দিয়েছিলেন বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল। পৈলানে তাঁর বাড়ির যে ছবি সামনে এসেছে তা দেখে বাংলার মানুষের একটাই প্রশ্ন, ভালো রেখেছেন! নাকি নিজে ভালো থেকেছেন?
এক মঞ্চ থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে হুমকি দিয়েছিলেন। অভিযোগ পেতেই পুলিশ তাঁর বাড়ি গিয়েছিল হুমকির ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে। কিন্তু বাড়ি ঢুকে একেবারে ভিড়মি খাওয়ার অবস্থা। বাড়ি তো নয়, পুরো একেবারে বাড়াবাড়ি। বাড়ি না বিসালাকার বিলাসবহুল রিসর্ট ধরতেই পারবেন না।
বাড়ি না বাড়াবাড়ি?
নির্বাচনের হলফনামায় তৃণমূল বিধায়ক জানিয়েছেন বাড়ি ও জমি মিলিয়ে তাঁর সম্পত্তি ২ কোটি ১২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। কিন্তু যে বাড়ির যে ছবি সামনে আসছে তা নিয়ে রীতিমতো হইচই। গোটা বাড়ি জুড়ে আয়েশের কোনও কমতিই নেই। বিদেশি পাখি, বিদেশি কুুকুর থেকে সুইমিং পুল, দামি গাড়ি, গুহা, কী নেই সেখানে! আমোদের কোনও বিরাম নেই কোথাও। বাগানে বাগানে হরিণ, বাঘের স্ট্যাচু।
শুধু পৈলানে নয়, ফলতাতেও রয়েছে আরও এক প্রাসাদ। এখানেই জন্ম তাঁর। বিষ্ণুপুরে সাম্রাজ্য তৈরি করলেও সেই ফলতাকে ভোলেননি তিনি। ভোলেননি পৈতৃক বাড়ি। সেখানেও বানিয়েছেন প্রাসাদোপম বাড়ি। ফলতার উত্তর চালুয়ারি গ্রামে রয়েছে পৈতৃক ভিটে। বছর চারেক আগেও সেখানে ছিল মাটির বাড়ি। সেখানে এখন বানিয়েছেন বিরাট বাংলো। শুধু পরিবার নয়, প্রতিবেশীদেরও হাত উজার করে টাকা বিলোতেন। সে কথা বলছেন গ্রামের লোকজনই। কিন্তু এত টাকা তিনি পেতেন কোথায়? আসলে ‘মাটির’ সঙ্গে যোগযোগ তাঁর অনেক দিনের। অভিযোগ, জমির দালাল থেকে রাজনীতির হাত ধরে দিনে দিনে জমি মাফিয়া হয়ে উঠেছিলেন এই দিলীপ। ফল, শুধুই উন্নতি!