কাশীর প্রাচীন শিবমন্দিরে বাংলার রানি ভবানীর অবদান, জানুন রহস্যময় ইতিহাস। Ei Samay - 24 Ghanta Bangla News
Home

কাশীর প্রাচীন শিবমন্দিরে বাংলার রানি ভবানীর অবদান, জানুন রহস্যময় ইতিহাস। Ei Samay

Spread the love

স্থাপত্যশৈলী

ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি এই মন্দির তার অনন্য স্থাপত্যশৈলীর জন্যও বিখ্যাত। নাগর শৈলীতে নির্মিত মন্দিরটির গঠন পঞ্চরথ নকশার উপর ভিত্তি করে তৈরি। নাগর শৈলী উত্তর ভারতের প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় হিন্দু মন্দির স্থাপত্যের একটি প্রধান শৈলী। এই মন্দিরে রয়েছে গর্ভগৃহ, প্রদক্ষিণ পথ, মহামণ্ডপ এবং অর্ধমণ্ডপ। মন্দিরের দেওয়ালে সূক্ষ্ম কারুকার্য আজও দর্শকদের মুগ্ধ করে। এখানে দেবদেবী, নর্তকী, বাদ্যযন্ত্রী এবং পৌরাণিক জীবের অসাধারণ ভাস্কর্য খোদাই করা রয়েছে। ইতিহাসবিদদের মতে, এই শিল্পকর্মগুলির অনেকটাই ষষ্ঠ ও সপ্তম শতাব্দী সময়ে নির্মিত।

বাংলা যোগ

মন্দিরের পাশেই রয়েছে পবিত্র কর্দম কুণ্ড। প্রচলিত বিশ্বাস, ঋষি কর্দমের অশ্রু থেকেই এই কুণ্ডের সৃষ্টি। পরে অষ্টাদশ শতকে বাংলার রানি ভবানী এই মন্দির ও কুণ্ডের পুনর্নির্মাণ করান। ইতিহাস অনুযায়ী, দ্বাদশ শতকে মন্দিরটির মূল নির্মাণ হয়েছিল। মুঘল আমলে কাশীর বহু মন্দির ধ্বংস হলেও কর্দমেশ্বর মহাদেব মন্দির অক্ষত অবস্থায় টিকে যায়। সেই কারণেই একে কাশীর অন্যতম প্রাচীন সংরক্ষিত মন্দির হিসেবে ধরা হয়।

বর্তমানে উত্তরপ্রদেশ সরকার এই মন্দিরকে প্রাচীন ঐতিহাসিক স্মারক হিসেবে সংরক্ষণ করেছে। প্রতিদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত মন্দির খোলা থাকে এবং সকাল-সন্ধ্যার আরতিতে বহু ভক্ত অংশ নেন। বারাণসী শহর থেকে অটো, ট্যাক্সিতে সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়। ধর্মীয় আস্থা, ইতিহাস এবং স্থাপত্যের এক অনন্য মিলনস্থল এই কর্দমেশ্বর মহাদেব মন্দির।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *