ইরফান খানের স্মৃতিতে ‘দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’
সেই নিস্তব্ধ, রহস্যময় পরিবেশে স্মৃতি, সঙ্গীত এবং আকাঙ্ক্ষা ধীরে ধীরে একে অন্যের সঙ্গে মিশে যায়। কিন্তু তার যাত্রা শুরু হতেই কিছুই আর প্রত্যাশামতো এগোয় না। ২০০০ সালে ভাবা এই ছবিটি তৈরি হয়েছিল প্রায় কোনও বাজেট ছাড়াই। ছবির মুক্তি নিয়ে স্মৃতিচারণা করে বিদ্যা বলেন, “দ্য লাস্ট টেন্যান্ট’ ছবিটাকে অবশেষে দর্শকদের কাছে পৌঁছতে দেখে অবিশ্বাস্য লাগছে। আমি তখন সবে কাজ শুরু করেছি। নিজের জায়গা খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করছি। ইরফানের সঙ্গে কাজ করা তখনই বিশেষ ছিল, আর এখন তো আরও বেশি। কারণ এটাই আমাদের একমাত্র একসঙ্গে কাজ। এই ছবি আমাকে আমার শুরুর দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়। আর আমি খুশি যে এই ফিল্মটির মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হচ্ছে।’