‘বাংলায় পদ্ম ফুটে গিয়েছে!’ মত আত্মবিশ্বাসী শমীকের
কলকাতা: বাংলায় পদ্ম ফুটে গিয়েছে! আত্মবিশ্বাসী সুরে এমনটাই দাবি করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তিনি বলেন, “পদ্ম এরই মধ্যে ফুটেছে। আমরা উৎসবের জন্য প্রস্তুত। শুধু …
কলকাতা: বাংলায় পদ্ম ফুটে গিয়েছে! আত্মবিশ্বাসী সুরে এমনটাই দাবি করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তিনি বলেন, “পদ্ম এরই মধ্যে ফুটেছে। আমরা উৎসবের জন্য প্রস্তুত। শুধু প্রবাসী বাঙালিরা নয়, বাংলার হিন্দি-ভাষী মানুষেরাও খুশি। বাঙালির বাংলা ছাড়ার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ এখন বৃদ্ধাশ্রম হয়ে গিয়েছে, এই অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে।”
শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছে। তিনি বলেন, বিজেপির জনপ্রিয়তা এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ফলাফলের আগেই উৎসবের আবহাওয়া তৈরি হয়েছে। প্রবাসী বাঙালিরা দূরে থেকেও বাংলার পরিবর্তন চান। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত বাঙালিরা বিজেপির জয়ের অপেক্ষায় আছেন বলে দাবি করেন তিনি। শমীক আরও বলেন, “বাংলা থেকে বাঙালির বেরিয়ে যাওয়া বন্ধ করতে হবে।
আরও দেখুনঃ ভারত-কম্বোডিয়া সামরিক মহড়া, রওনা ভারতীয় সেনার এক দলের
শিল্প নেই, চাকরি নেই, সুযোগ নেই এই কারণে যুবকরা বাইরে ছুটছে। ফলে বাংলা ধীরে ধীরে বৃদ্ধাশ্রমে পরিণত হয়েছে। এই অবস্থা বদলাতে হবে।” তাঁর মতে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হবে। হিন্দি-ভাষী মানুষ যাঁরা বাংলায় ব্যবসা-বাণিজ্য করেন, তাঁরাও এই পরিবর্তনে খুশি।রাজ্য বিজেপির এই আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য তৃণমূল কংগ্রেসকে নতুন করে চাপে ফেলেছে। তৃণমূল নেতারা এই মন্তব্যকে ‘অতিরঞ্জিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
দলের এক মুখপাত্র বলেন, “বিজেপি স্বপ্ন দেখছে। বাংলার মানুষ তৃণমূলের সঙ্গে আছে। শমীকবাবুর এই বক্তব্য শুধুমাত্র রাজনৈতিক কথাবার্তা। বাস্তবে বাংলায় বিজেপির কোনো জনসমর্থন নেই।”কিন্তু বিজেপি শিবিরে উৎসাহের আবহাওয়া স্পষ্ট। দলের কর্মী-সমর্থকরা বলছেন, গত কয়েক বছরে বিজেপি বাংলায় অনেকটা জায়গা করে নিয়েছে।
গ্রামে গ্রামে সংগঠন ছড়িয়ে পড়েছে। প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে বিজেপির সমর্থন যথেষ্ট বেড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অনেক প্রবাসী বাঙালি সোশ্যাল মিডিয়ায় শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন। একজন প্রবাসী বাঙালি বলেন, “দেশে ফিরে দেখতে চাই বাংলা বদলে গিয়েছে। চাকরি, শিল্প আর নিরাপত্তা এটাই আমাদের চাওয়া।”