বুড়োরাজের পুজোয় পুলিশের সঙ্গে এ বার কেন্দ্রীয় বাহিনীও - 24 Ghanta Bangla News
Home

বুড়োরাজের পুজোয় পুলিশের সঙ্গে এ বার কেন্দ্রীয় বাহিনীও

Spread the love

এই সময়, কালনা: পুজো দিতে যাওয়ার সময়ে ভক্তদের হাতে হাতে নাচতে থাকা লাঠির সঙ্গে এক সময়ে থাকত রামদা–তরবারি, এমনকী আগ্নেয়াস্ত্রও। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর জামালপুরে বুড়োরাজের পুজোর তাই পরিচিত অস্ত্র মেলা নামেও। সেই চেনা ছবি অবশ্য গত কয়েক বছরে বেশ কিছুটা ফিকে হয়েছে। কেউ যাতে কোনও ভাবেই অস্ত্র নিয়ে ঢুকতে না পারেন, তার জন্য কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করেছে পুলিশ।

পূর্ব বর্ধমানের কালনার এসডিপিও রোশন দেশমুখ বলেন, ‘পর্যাপ্ত পুলিশের সঙ্গে থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বেশ কয়েকটি নাকা পয়েন্ট করা হয়েছে। সিসিটিভি, বাইক প্যাট্রলিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চলবে।’

বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন পূর্বস্থলীর জামালপুরের বুড়োরাজের মেলায় পূর্ব বর্ধমান জেলা ছাড়াও লাগোয়া নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম জেলা থেকে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হয়। পুজোর আগের রাতে পৌঁছে যাওয়া ভক্তের দল ভোররাত থেকেই নাচতে নাচতে মন্দিরে গিয়ে পুজো দিতে শুরু করেন। সেই সময়েই তাঁদের হাতে থাকত নানা ধরনের ধারালো অস্ত্র, কখনও আগ্নেয়াস্ত্রও। এই অস্ত্র মেলায় একসময়ে ধারালো অস্ত্র থেকে দুর্ঘটনাও ঘটেছে। ছবিটা অবশ্য এখন পাল্টেছে অনেকটাই। এ বার কড়া নজরদারিও থাকছে।

কেন ভক্তদের এমন অস্ত্র নিয়ে পুজো দিতে যাওয়ার রেওয়াজ?

কথিত আছে, এক সময়ে এই এলাকা ছিল জনশূন্য। পুজো দিতে আসা ভক্তদের সঙ্গে থাকা টাকা–পয়সা, পাঁঠা ছিনিয়ে নিত দুষ্কৃতীরা। আত্মরক্ষার্থেই অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পূর্বস্থলীর জামালপুরের বুড়োরাজের মেলায় আসা শুরু করেছিলেন ভক্তরা। পরে যা রেওয়াজ হয়ে দাঁড়ায়। প্রশাসনের নজরদারিতে এখন অবশ্য সেই রেওয়াজ বদলাচ্ছে।

পুজো ও মেলার পরিচালন কমিটির পক্ষে বিশ্বনাথ বন্দোপাধ্যায় বলেন, ‘ভোট প্রক্রিয়ার মধ্যে এ বার পুজো হওয়ায় ভেবেছিলাম হয়তো সন্ন্যাসীর সংখ্যা কম হতে পারে। কিন্তু এ বারও ১২–১৩ হাজারের মতো সন্ন্যাসী হয়েছেন। পুজোর আগের দিন বৃহস্পতিবার রাত থেকেই জল ঢালা শুরু হয়েছে। মন্দির চত্বরে ১২টি ও মেলা চত্বরে ৩২টি সিসিটিভি ক্যামেরা থাকছে।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *