মৃত রাহুলের ছবি গাছের নীচে ফেলে উধাও জীতু? পায়েল-জীতুর বচসায় চোখ কপালে! – Bengali News | Tollywood erupts over the clash between Jeetu Kamal and Payel De
টলিপাড়ায় রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অভিনেতা জীতু কমল আর অভিনেত্রী পায়েল দে-র মধ্যে বিরাট ঝগড়া শুরু হয়ে গেল। সমাজ মাধ্যমে দর্শকদের সামনেই চলছে সেই বচসা। রাহুলের মৃত্যুর ন্যায় বিচার চেয়ে যে দিন শহরে মিছিলের আয়োজন করা হয় নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে, সেদিন নিজের একটা সমস্যার কথা তুলে ধরতেই জীতু নিজের ছবিতে মালা দিয়ে তার পাশে বসেছিলেন টেকনিশিয়ান্স স্টুডিয়োতে। পাশে ছিল রাহুলের ছবি, তাতেও ছিল মালা।
জীতুর দাবি ছিল, আর্টিস্টস ফোরামের নজর কাড়তেই এই পদক্ষেপ। কিন্তু রাহুলের সেই ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী পায়েল দে ফেসবুকে লিখলেন, ”দাদা গো, তোমার এই ছবিটায় মালা পরানো হয়েছিল, ওটা টেকনিশিয়ান্স স্টুডিয়োতে গাছতলায় পড়ে ছিল। যিশুদা (সেনগুপ্ত) আর ইন্দ্রাশিস (রায়) সেটা খুব যত্ন করে ফোরামের অফিসে রেখে দিয়েছে, খুব যত্ন করে রাখা আছে, বলছি, উনি কি নিজের ছবির সঙ্গে রাহুলের ছবিটা নিতে ভুলে গিয়েছিলেন? একটু জানতে ইচ্ছা হল। আর্টিস্টস ফোরামের একজন কর্মী আর রাহুলদার বোন…”
এর উত্তরে জীতু লেখেন, ”আমি, আমার আর রাহুলদার ছবিটা রেখে এসেছিলাম, কারণ আমি জানি মৃত মানুষের ছবি ফোরামের চোখে আগে পড়ে আর আমার ছবিটা রেখে এসেছিলাম যাতে আমার কমপ্লেনের কথাটা আপনাদের মনে থাকে। তাই জন্যেই আর্টিস্ট ফোরামের অফিসের নীচেই রেখে এসেছিলাম। দুদিন পরও আমি টেকনিশিয়ান্সে যাই, আমি কিন্তু ছবিটা আর্টিস্ট ফোরামে দেখিনি,ইলেকট্রিক বক্স এর উপর থাকতে দেখি। তা আজ হঠাৎ কথাটা তুললেন, নিশ্চয়ই আপনাদের ইন্সট্রাকশন আছে। করুন, বলুন অসুবিধা নেই। চোখ তো একদিন নিশ্চয়ই খুলবে আপনারও। আর আপনার মত আক্রমণ যে আরও আসবে সেটা আমি জানতামই, আগেই বলেছি। করুন, তাতেও অসুবিধা নেই। আমি আপনার কাছে মার্জনা চেয়ে নিচ্ছি। আপনিই ঠিক, আমার কমপ্লেন দেওয়াটা ভুল। কখনও কোনও প্রোডিউসার কমপ্লেন দিলে, দিনের দিন ডেকে পাঠাবেন কেমন, ভর্ৎসনা করার জন্য।”
টলিপাড়ায় রূপাঞ্জনা মিত্র, বিদীপ্তা চক্রবর্তীর মতো বেশ কিছু নাম পায়েলের সমর্থনে কথা বলেছেন। আবার জীতুর হয়ে মুখ খুলেছেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। লক্ষণীয় ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকে পায়েল দে আর জীতু কমল একসঙ্গে কাজ করেন। এর আগে জীতুর সঙ্গে সমস্যার পরে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ধারাবাহিক ছেড়ে দিয়েছিলেন দিতিপ্রিয়া রায়।