Howrah de-addiction centre death: ১৪ দিন আগেই ভর্তি হয়েছিলেন, নেশামুক্তি কেন্দ্রে যুবককে দেখে শিউরে উঠলেন সবাই - 24 Ghanta Bangla News
Home

Howrah de-addiction centre death: ১৪ দিন আগেই ভর্তি হয়েছিলেন, নেশামুক্তি কেন্দ্রে যুবককে দেখে শিউরে উঠলেন সবাই

Spread the love

Howrah de-addiction centre death: ১৪ দিন আগেই ভর্তি হয়েছিলেন, নেশামুক্তি কেন্দ্রে যুবককে দেখে শিউরে উঠলেন সবাই

হাওড়া: ১৪ দিন আগে ভর্তি করে দিয়ে গিয়েছিলেন পরিবারের লোকজন। আশা ছিল, নেশামুক্তি কেন্দ্রে থাকলে মাদকের নেশা ছেড়ে যাবে। সেই আশা ছারখার হয়ে গেল পরিবারের। নেশামুক্তি কেন্দ্রেই যুবককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ উঠল। মৃতের নাম মাধব সরকার। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল হাওড়ার জগদীশপুরে। ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রের কেয়ারটেকারকে আটক করেছে পুলিশ।

জগদীশপুরে ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রে এদিন ভোরে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মাধব সরকারকে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাওড়া জেলা হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত যুবকের বাড়ি আনন্দনগরের ঝাউতলা এলাকায়। খবর পেয়েই তাঁর বাড়ির লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা জগদীশপুরে আসেন। নেশামুক্তি কেন্দ্রে মাধবকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর পেয়ে জগদীশপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ও র‍্যাফ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ওই বেসরকারি নেশামুক্তি কেন্দ্রের কেয়ারটেকার রোহিত জয়সওয়ালকে পুলিশ আটক করে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মৃতের পরিবার জানিয়েছে, গত ২৩ মার্চ মাধবকে ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। ভর্তির পর থেকে তাঁদের দেখতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। মৃতের ভাই বলেন, এদিন খবর পেয়ে আসার পর নেশামুক্তি কেন্দ্রের অন্য রোগীরা তাঁদের জানিয়েছেন, গতকাল রাতে মাধবকে রড, পাইপ দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। সারারাত আতঙ্কে চিৎকার করেছিলেন মাধব। নেশামুক্তি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হন মৃতের পরিবারের লোকজন। এই ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তাঁরা। মৃতের ভাই বলেন, মাধবের ১২ বছর ও ৫ বছরের দুই সন্তান রয়েছে। বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন।

এদিকে, মাধবের মৃত্যুর জেরে ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অন্য রোগীদের পরিবারের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। একাধিক রোগীর পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে পৌঁছে যান। তাঁরা বলেন, তাঁদের রোগীকে এই নেশামুক্তি কেন্দ্র থেকে নিয়ে যেতে এসেছেন তাঁরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *