Iran-US Tension: ইরানকে ১০ দিনের ডেডলাইন, তারপরেই জোরাল হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের - Bengali News | Trump gives iran 10 day deadline then warns of strong attack - 24 Ghanta Bangla News
Home

Iran-US Tension: ইরানকে ১০ দিনের ডেডলাইন, তারপরেই জোরাল হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের – Bengali News | Trump gives iran 10 day deadline then warns of strong attack

Spread the love

২০০৩-এর পর ২০২৬। ইরাক যুদ্ধের পর এবার টার্গেট ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় সেনা সমাবেশ আমেরিকার। দুটি রণতরীর বহর-সহ প্রায় সবরকমের মার্কিন যুদ্ধবিমান, গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এখন হয় ইরানের কাছে, নয়তো ইরান-মুখী।

ইরান ও মার্কিন প্রতিনিধিদের নিয়ে জেনেভার বৈঠক ফলপ্রসূ হয়নি। ট্রাম্প-ও আর সময় দিতে নারাজ। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি খুব চেষ্টা করছেন যুদ্ধ এড়াতে। কিন্তু সেটা আর সম্ভব নাও হতে পারে। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, আগামী ১০ দিনের মধ্যে ইরান পরমাণু শক্তি নিরস্ত্রীকরণে রাজি না হলে খুব খারাপ ঘটনা ঘটতে চলেছে। এখনই ইরানের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে ২টি এয়ারক্রাফট কেরিয়ার, ১২০টি যুদ্ধবিমান, অন্তত ১৭টি যুদ্ধজাহাজ। আর শুধু মধ্যপ্রাচ্যে তো নয়, ইরানে আঘাত হানতে ব্রিটেন, গ্রিস, বুলগেরিয়ার মতো ঘাঁটিতেও মোতায়েন রয়েছে একাধিক ভয়ঙ্কর বোমারু বিমান ও যুদ্ধবিমান। নজরদারি ও হামলায় সাহায্য করতে ই-৩ সেন্ট্রি AWACS সর্বক্ষণ ঘোরাঘুরি করছে। মজুত পর্যাপ্ত পরিমাণে MQ-4 Triton ও RQ-4 Global Hawk ড্রোন।

মধ্য প্রাচ্যে মার্কিন সেনার প্রস্তুতি দেখে নিন একনজরে

us iran tension

  • ওমানের কাছে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন দাঁড়িয়ে ৭৫টি যুদ্ধবিমান নিয়ে
  • সবচেয়ে বড় রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড ইরানমুখী
  • মোতায়েন ৩৬টি এফ-১৫ ঈগল ও এফ-১৬ ফ্যালকন
  • এফ-৩৫ ও এফ-২২ যুদ্ধবিমান অন্তত ৩০টি
  • হক আই ও সি-হক হেলিকপ্টার মোতায়েন
  • এ-১০ ওয়ার্থহগ ও এফ-১৮ সুপার হরনেট ফাইটার জেট
  • আরব ও লোহিত সাগরে ১২টি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার
  • যার মধ্যে ৯টি-তে রয়েছে টোমাহক মিসাইল

ইরানের রক্তচাপ বাড়াতে প্রতিদিন অন্তত ৮০০ বার ওঠানামা করছে মার্কিন যুদ্ধবিমান। শুধু মধ্য প্রাচ্যেই নয়, ইউরোপের একাধিক সেনাঘাঁটিতে মোতায়েন বি ১, বি ২ -এর মতো ভারী বোমা বহনকারী বিমান। ইরানের আশেপাশে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে নিয়মিত মহড়া চালাচ্ছে ফাইটার জেট, মাঝআকাশে যুদ্ধবিমান তেল ভরার ট্যাঙ্কার KC-135 ও KC-46। তবে এত কিছুর মধ্যেও ইরান দমতে নারাজ। হরমুজ প্রণালিতে প্রথম ‘সায়াদ’-থ্রিজি এয়ার ডিফেন্স মিসাইলের মহড়া সেরেছে ইরানি সেনা। ইরানি নৌবহরের ১৫০ কিলোমিটারের মধ্যে অন্য কোনও মিসাইলকে ঢুকতে দেবে না এই ডিফেন্স সিস্টেম। মার্কিন চোখরাঙানির মাঝেই রুশ নৌসেনার কমান্ডার অ্যাডমিরাল অ্যালেক্সান্ডার মোইসেয়েভের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানি নেভি কমান্ডার শাহরাম ইরানি। অন্যদিকে, চিনা প্রযুক্তির সাহায্যও এখন পাচ্ছে তেহরান। চিনা স্যাটেলাইট-ই ফাঁস করেছে, সৌদি এয়ারবেস-এ ছয়টি ই-৩ সেন্ট্রি AWACS ও ২০টি ফুয়েল ট্যাঙ্কার মোতায়েন রেখেছে আমেরিকা। ইরান-ও তাদের শক্তিশালী সেনাঘাঁটিগুলিকে এখন দুর্গে পরিণত করেছে। তেলেঘান ২ ঘাঁটিকে মাটি ও পাথর দিয়ে এমনভাবে ঢেকে রাখা হয়েছে যাতে আকাশ থেকে দেখতে না পাওয়া যায়। নাতাঞ্জ পরমাণু ঘাঁটিকেও সিমেন্ট দিয়ে কার্যত ঢেকে দেওয়া হয়েছে। আন্ডারগ্রাউন্ড শহরে মোতায়েন ২০০০ কিলোমিটার দূরে হামলায় সক্ষম ইরানি মিসাইল খোররামশাহর। সবমিলিয়ে দুপক্ষই এখন রনং দেহি মেজাজে। আগামী দু সপ্তাহে এই উত্তেজনার প্রশমন হয় কি না, সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *