Waqf Bill: 'সংসদও ওয়াকফ সম্পত্তি হয়ে যেত, প্রধানমন্ত্রী মোদী অধিগ্রহণ আটকেছেন', বিস্ফোরক দাবি রিজিজুর - Bengali News | Union Minister Kiren Rijiju claims Parliament was also being Claimed as Waqf property, PM Modi Saved it - 24 Ghanta Bangla News
Home

Waqf Bill: ‘সংসদও ওয়াকফ সম্পত্তি হয়ে যেত, প্রধানমন্ত্রী মোদী অধিগ্রহণ আটকেছেন’, বিস্ফোরক দাবি রিজিজুর – Bengali News | Union Minister Kiren Rijiju claims Parliament was also being Claimed as Waqf property, PM Modi Saved it

Spread the love

সংসদে ওয়াকফ বিল নিয়ে বললেন কিরণ রিজিজু।Image Credit source: ANI

নয়া দিল্লি: সংসদে পেশ হল ওয়াকফ সংশোধনী বিল। বিল পেশ করলেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরণ রিজিজু। বিল পেশের মাঝেই বিস্ফোরক দাবি করলেন তিনি। “ওয়াকফ বিল পেশ না করা হলে, সংসদ বিল্ডিংও ওয়াকফ সম্পত্তি বলে দাবি করা হত”- এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর।

এ দিন ওয়াকফ সংশোধনী বিল পেশ করার সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু বলেন যে ২০১৪ সালে যদি বিজেপি সরকার ক্ষমতায় না আসত, তাহলে কংগ্রেস সরকার সংসদ ও বিমানবন্দরের জমিও ওয়াকফ-কে দিয়ে দিত।

ওয়াকফ বিল পেশ হতেই বিলের বিরোধিতা করে স্লোগান দিতে শুরু করে বিরোধীরা। তাদের স্লোগানের মাঝেই সুর চড়িয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু বলেন, “ইউপিএ সরকার সংসদ ও বিমানবন্দরের জমিও ওয়াকফকে দিয়ে দিত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ওয়াকফের হাতে সংসদের অধিগ্রহণ আটকেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “ইউপিএ সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন ১২৩টি বড় ও গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং ওয়াকফ-কে দিয়ে দেওয়া হয়েছিল।”

বিরোধীদের দাবি, এই ওয়াকফ সংশোধনী বিল বেআইনি, অনৈতিক। তাদের পাল্টা জবাব দিয়ে কিরণ রিজিজু বলেন, “এই আইন আজকের নয়। স্বাধীনতার আগে ১৯১৩ সালে মুসলমান ওয়াকফ ভ্যালিডেটিং অ্যাক্ট পাশ করা হয়েছিল। ১৯২৩ সালে মুসলমান ওয়াকফ আইন আনা হয়। পরে ১৯৫৪ সালে ওয়াকফ আইন কার্যকর হয়েছিল। রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয় এই আইনে। তখন কেন কেউ বিরোধিতা করেনি?”

কিরণ রিজিজু বলেন যে এই আইন গরিব মুসলিমদের জন্য ব্যবহার করা হবে। আইনের সপক্ষে বলেন, “মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় বিশ্বাসে হস্তক্ষেপ করে না এই বিল। এটা শুধুমাত্র সম্পত্তির দেখভালের জন্য তৈরি। ওয়াকফ বোর্ডকে ধর্মনিরপেক্ষ করার প্রচেষ্টা এটা।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *