Pratikur Rahaman in News: সিপিএমে ‘খাপ খাওয়াতে না-পারা’ প্রতীক-উরের পকেটে তৃণমূলের টিকিট? ভোটমুখী বঙ্গে তুঙ্গে জল্পনা – Bengali News | After Resignation Letter, Speculation Grows Over Pratik Ur’s Next Political Move
প্রতীক-উর রহমানকে ঘিরে জোর জল্পনাImage Credit: নিজস্ব চিত্র
কলকাতা: কঠোর অনুশাসনের নিগড়ে বাঁধা সিপিআইএম বিশ্বাসী দলীয় লাইন মেনে চলাতে। দলে থাকতে হলে এটাই নিয়ম। কারণ, নেতার চেয়ে নীতি বড়, ব্যক্তির চেয়ে বড় দল। কিন্তু ‘দলীয় লাইন’ আর যেন মেনে নিতে পারছিলেন এসএফআই-এর প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি প্রতীক-উর রহমান। তাই তো রবিবার দলকে চিঠি লিখে বসলেন তিনি। স্পষ্ট হরফে তাতে উল্লেখ করলেন, “আমি নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারছি না।”
প্রতীক-উর রহমানের সিপিএম ছাড়ার ঘটনা ঘিরে নানা মহলে জল্পনার শেষ নেই। আর এই আবহেই আরও একটা জল্পনা। তাও আবার প্রতীক-উর-তৃণমূল রসায়ন ঘিরে। সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন প্রতীক-উর রহমান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে বলেও তৈরি হয়েছে জল্পনা। শেষ লোকসভা নির্বাচনে ডায়মণ্ড হারবারে সিপিএমের টিকিটে দাঁড়িয়েছিলেন প্রতীক-উর। এবার তিনি যদি নেহাতই তৃণমূলে যোগদান করেন, তা হলে সেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেই আবার প্রার্থী হিসাবে তাঁকে দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন একাংশ। ঘাসফুল শিবিরের একটা অংশের ইঙ্গিত, তৃণমূলে নাম লেখালে মগরাহাট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট পেতে পারেন তিনি। কিন্তু সবটাই এখন জল্পনা।
অবশ্য়, প্রাথমিক সদস্য় পদত্য়াগ থেকে অন্য দলে যোগদানের জল্পনা — কোনও প্রসঙ্গেই মুখ খুলতে চাননি প্রতীক-উর। সোমবার চিঠি প্রকাশ্যে আসার পরেই টিভি৯ বাংলার তরফে যোগ করা হয়েছিল প্রতীক-উরকে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমার সঙ্গে কারও বিরোধ নেই। আমার যা বলার আমি পার্টিকে বলেছি। সর্বোচ্চ নেতৃত্বের তরফে এখনও আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি। এটা তো দলের আভ্যন্তরীণ বিষয় এটা আমি সবার সামনে বলব না। সময় এলে মিডিয়াকে জানাব।”
এক্ষেত্রে বলে রাখা প্রয়োজন, প্রতীক-উর রহমানের চিঠি প্রকাশ্য়ে আসার পরেই নাম না-করে সেলিমকে আক্রমণ করেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। নিজের সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “SFI শীর্ষনেতা, জেলা নেতা, রাজ্য কমিটির কিছু দায়িত্বে থাকা ও গত লোকসভায় ডায়মন্ড হারবারে সিপিএম প্রার্থী প্রতীক-উর। সিপিএমকে সর্বস্তরে শূন্যতে নামানো সম্পাদক ও তাঁর কিছু অযোগ্য বাতেলাবাজের কাঠিবাজিতে এই সিদ্ধান্ত বলে খবর।”