Bhangar: সরকারি দফতরের অদূরে পুুকুর ভরাটের অভিযোগ, পুলিশের হস্তক্ষেপ – Bengali News | Bhangar Police intervene after complaint of dumping of garbage near government office
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভাঙড়ে ভূমি সংস্কার দফতরের ঢিল ছোড়া দূরত্বে পুকুর ভরাটের অভিযোগ। থানায় অভিযোগ জানাতেই পুলিশে হস্তক্ষেপ। ঘটনাটি ঘটেছে ভাঙড় দু’নম্বর ব্লকের বিজয়গঞ্জ বাজার সংলগ্ন প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পাশে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মৎস্য চাষের কাজে ব্যবহৃত একটি পরিচিত পুকুর হঠাৎই রাতের অন্ধকারে ডাম্পার ভর্তি মাটি এনে জেসিবি দিয়ে ভরাট করার কাজ শুরু হয়।
বিরোধীদের অভিযোগ, পুকুরটি স্বাস্থ্য দফতরের অধীনস্থ সম্পত্তি হওয়া সত্ত্বেও শাসকদলের মদতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ও মাটি মাফিয়ারা এই জলাশয় ভরাটের কাজ চালাচ্ছিল।
খবর পেয়ে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুকুর ভরাটের কাজ বন্ধ করে দেয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। বর্তমানে কারা এই বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত, তা খতিয়ে দেখছে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, বিজয়গঞ্জ বাজার সংলগ্ন স্বাস্থ্য দফতরের একাধিক জমি ইতিমধ্যেই বেআইনিভাবে দখল হয়ে গিয়েছে। সেই সব জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করে দুষ্কৃতীরা বিক্রি করে দিচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, এই পুকুরটিও ভরাট করে প্রমোটিং করে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি প্রশ্ন তুলেছে— যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘জল ধরো, জল ভরো’ প্রকল্পের মাধ্যমে জলাশয় সংরক্ষণের বার্তা দিচ্ছেন, সেখানে প্রশাসনের নাকের ডগায় কীভাবে এভাবে বেআইনি পুকুর ভরাট চলতে পারে? পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে পুকুর ভরাট স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে আইএসএফ ও বিজেপি।
বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য দিলীপ হালদার বলেন, “শাসকদলের মদত রয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কত সাহস, সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পুকুর ভরাট করে সেখানে প্রোমোটিং!” যদিও এই নিয়ে তৃণমূলের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।