WITT: 'খেলোগে, তো খিলোগে', ক্রীড়াবিদদের আর এখন 'কী হবে' ভাবতে হয় না - Bengali News | TV9 Network Global Summit What India Thinks Today Union Minister Anurag Thakur Explains How India can Grow in Sports - 24 Ghanta Bangla News
Home

WITT: ‘খেলোগে, তো খিলোগে’, ক্রীড়াবিদদের আর এখন ‘কী হবে’ ভাবতে হয় না – Bengali News | TV9 Network Global Summit What India Thinks Today Union Minister Anurag Thakur Explains How India can Grow in Sports

টিভি নাইন হোয়াট ইন্ডিয়া থিঙ্কস টুডে গ্লোবাল সামিটের দ্বিতীয় সংস্করণ। উদ্বোধনী দিন প্রথম সেশনেই আলোচনা হয় ভারতীয় ক্রীড়া নিয়ে। বিশ্বের প্রতিটি দেশেরই সফ্ট পাওয়ার দিয়ে পরিচিতি রয়েছে। টিভি নাইন নেটওয়ার্কের এমডি ও সিইও বরুণ দাস উদাহরণ হিসেবে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। এই দুটি দেশ ফুটবলের জন্যই বেশি জনপ্রিয়। তেমনই ভারতও এমন একটা পরিচিতি তৈরি করবে, আশাবাদী বরুণ দাস। শুধু ক্রিকেটই নয়, সার্বিক ভাবে ক্রীড়ার মাধ্যমে বিশ্বে আলাদা জায়গা করে নেবে ভারত, এমনটাই বলেন তিনি। এর জন্য যেমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অবদান রয়েছে, তেমনই কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের অবদানও অনস্বীকার্য। ক্রীড়াক্ষেত্রে সার্বিক ভাবে উন্নতি করছে ভারত।

প্রথম সেশনে ভারতীয় ক্রীড়া নিয়ে আলোচনায় কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এবং টিভি নাইন নেটওয়ার্কের এমডি ও সিইও বরুণ দাস। আলোচনার টপিক সফ্ট পাওয়ার। ভারতে ক্রিকেট অতি জনপ্রিয়। শুধু তাই নয়, বিশ্বেও ক্রিকেটের মাধ্যমে আলাদা পরিচিতি। সে প্রসঙ্গে অনুরাগ ঠাকুর বলেন, ‘১৯৮৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের কথাই বলুন, কিংবা সে সময় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পরিস্থিতি। তখন কিন্তু টাকা ছিল না। পরবর্তীতে সেই জায়গা তৈরি করেছে বিসিসিআই। তেমনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে ক্রীড়াক্ষেত্রে বাজেট অনেক অনেক বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলে থাকেন-খেলোগে, তো খিলোগে। এখন আর উঠতি খেলোয়াড়দের ভাবতে হয় না, পরিকাঠামো কীভাবে আসবে। প্রতিটি ক্রীড়াবিদদের এটাই বলে থাকি, নিজেদের ভূমিকাটুকু পালন করুন, বাকিটা আমরা দেখে নেব।’

উদাহরণ টেনে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর আরও বলেন, ‘একটা সময় আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা কোনও পরিবারের কারও মধ্যে প্রতিভা থাকলেও সাহস করে এগিয়ে আসতে পারত না। কোথা থেকে আসবে খেলাধুলোর খরচ, এই ভাবনা থেকেই পিছিয়ে পড়তেন তাঁরা। এখন কিন্তু তাঁদের সেটা ভাবতে হয় না। ভারত সরকারে TOP পরিকল্পনায় যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের থাকা-খাওয়া, বিদেশে ট্রেনিংয়ে যাতায়াত যাবতীয় খরচের পাশাপাশি ৬ লক্ষ টাকা হাতখরচ হিসেবে দেওয়া হয়। তাঁদের কিন্তু পরিবার কী ভাবে খরচ বহন করবে, ভাবতে হয় না।’

উঠতি ক্রীড়াবিদদের ক্ষেত্রে তিনি বলেন, ‘যাঁরা উঠতি অ্যাথলিট রয়েছে, তাঁদের ৩ লক্ষ টাকা খরচ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ট্রেনিংয়ের পরিকাঠামো, থাকা খাওয়া, বিদেশে ট্রেনিংয়ের সুবিধা এগুলো তো রয়েইছে। ৩ হাজার উঠতি খেলোয়াড় এই সুবিধা পেয়ে থাকে। ৬৯টি সাই সেন্টার। খেলো ইন্ডিয়া সেন্টার তৈরি হয়েছে প্রচুর। রাজ্য সরকারও পাশে থাকলে, আমাদের কাজটা আরও সুবিধা হবে। ২০৩৬ সালের মধ্যে অলিম্পিকে পদক জয়ের ক্ষেত্রে ভারত প্রথম দশে, ২০৪৭ সালে প্রথম পাঁচে থাকবে, এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *