SIR: ‘প্রতি বুথে ১৫০-২০০ নাম বাদের ষড়যন্ত্র’, বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে কমিশনে তৃণমূলের প্রতিনিধিরা – Bengali News | Sir ‘Conspiracy to exclude 150 200 names from each booth’, Trinamool representatives make explosive allegations in the commission
সাংবাদিক বৈঠকে অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: এসআইআর স্থগিতের জন্য কমিশনকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক তার ২ দিনের মাথায় সিইও দফতরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। CEO দফতরে গিয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ বিশ্বাস ও পার্থ ভৌমিকরা। তার আগে সাংবাদিক বৈঠক করেন অরূপ-চন্দ্রিমারা। কমিশনের বিরুদ্ধে তোলেন বিস্ফোরক অভিযোগ। অরূপ বিশ্বাসের বক্তব্য, প্রত্যেক বুথে ১৫০-২০০ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। প্রায় ২ কোটি ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে বলে আগেই বলেছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
অরূপ বিশ্বাস বলেন, ” প্রত্যেকটা বুথে ইচ্ছাকৃতভাবে, কোনও একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের কথায় নির্বাচন কমিশন ১৫০-২০০ নাম বাদ দিয়েছে। যে নাম খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু ২০০২ সালের ভোটার লিস্টের হার্ড কপি যখন দেখা হচ্ছে, তাতে সেই নামগুলো রয়েছে।”
ঠিক কী কী পন্থায় নাম বাদ দেওয়া যেতে পারে, সে সম্ভাবনাও বলেছেন অরূপ। তিনি বলেন, “কমিশনের সাইটে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার কার্ডের নম্বর ভুল। ইচ্ছাকৃতভাবে নম্বর ভুল করা হয়েছে। যখন তাঁরা ফর্ম ফিল আপ করবেন, তখন সেটা অ্যাপস নেবে না, অর্থাৎ সেটা বাদ যাবে। তৃতীয়ত, প্রত্যেকের ছবি ভুল করে বসানো হয়েছে। কোথাও সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভুল তথ্যে দেওয়া হচ্ছে। ভুলে ভরা ওয়েবসাইট।”
সাংবাদিক বৈঠকে এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যার তত্ত্ব খাড়া করে নির্বাচন কমিশনকে আরও একবার কাঠগড়ায় দাঁড় করায় তৃণমূল নেতৃত্ব। অরূপ বলেন, ”
ভুলে ভরা তাঁদের ওয়েবসাইট। মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছেন। অনেকেই ভয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এর সম্পূর্ণ দায় ও দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে।”
স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে সরব বিজেপি। এবিষয়ে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস সাংবাদিক সম্মেলন করে যে যে অভিযোগ করেছে, তার সমাধান তো সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে হবে না। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার মধ্যেই একটি ব্যবস্থা হচ্ছে সরাসরি আদালতে যাওয়া। সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া। শত-সহস্র অভিযোগ তাঁরা করতে পারেন। বিচার আদালতে হবে।”
তৃণমূলকে বিঁধে শঙ্কর বলেন, “এটা হয়তো তারা বুঝতে শুরু করেছে, ২০২৬ সালে পরাজয় হতে পারে, অনুপ্রবেশকারীরা দেশ ছাড়ছে, মৃত ভোটারদের নামও লিস্ট থেকে বেরোচ্ছে। যাদের ওপর ভরসা করে ২০১১ সালের পরবর্তী পর্যায়ে থেকেছে, তারা যদি ভোটার লিস্টে না থাকে, তাহলে কীভাবে জিতবে?”