Bank Intelligence: এই ব্যাঙ্ক এবার নজর রাখবে আপনার অ্যাকাউন্টে, টাকা তুলতে গেলেই… চাপ বাড়বে আপনার? – Bengali News | Reserve Bank Of India Intelligence: This bank will now keep an eye on your account, will you feel pressured when you try to withdraw money?
আপনার লেনদেন এবার নজরে, তৈরি হচ্ছে এআইImage Credit: Getty Images
এবার দেশের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও আর এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ বরোদা নিতে চলেছে এক বিরাট পদক্ষেপ। জানা গিয়েছে, তারা একটা রিয়েল-টাইম ডিজিটাল পেমেন্ট ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চলেছে। নতুন এই প্ল্যাটফর্ম কাজ করবে অনেকটা পুলিশের মতো। কী বুঝলেন না?
নতুন এই প্ল্যাটফর্ম আসলে নজর রাখবে ব্যাঙ্কের সমস্ত লেনদেনের উপরে। কোনও অ্যাকাউন্ট থেকে কোনও প্রতারণামূলক কোনও লেনদেন খুঁজে বের করাই এই প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য। এই প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য খুবই স্পষ্ট, ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার মধ্যে যে কোনও ধরনের জালিয়াতিকে একেবারে হাতেনাতে ধরা ও জালিয়াতি ঠেকানো।
আপনার টাকা কতটা সুরক্ষিত?
রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার তথ্যই বলছে ছবিটা ঠিক কতটা ভয়ঙ্কর। গত অর্থবর্ষে জালিয়াতির পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ। ৩৬ হাজার কোটির বেশি টাকা চলে গিয়েছে জালিয়াতদের কবলে। আর তারপরই তৈরি হতে চলেছে এই প্ল্যাটফর্ম। জানা গিয়েছে এসবিআই ও ব্যাঙ্ক অফ বরোদা এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করলেও দেশের ১২টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কেরই শেয়ার থাকছে নতুন এই প্ল্যাটফর্মে। তৈরি হচ্ছে ইন্ডিয়ান ডিজিটাল পেমেন্ট ইন্টেলিজেন্স কর্পোরেশন বা IDPIC নামের এক সংস্থাও।
এই সংস্থা তৈরির ক্ষেত্রে শুরুতেই স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া এবং ব্যাঙ্ক অব বরোদা প্রত্যেকে ১০ কোটি টাকা করে দিচ্ছে। আর আর্টিকলস অফ অ্যাসোসিয়েশনে অনুমোদন দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। সেকশন ৮ সংস্থা বা নন প্রফিট অর্গানাইজেশন হিসাবে রেজিস্ট্রিকৃত এই সংস্থার মূলধন হতে চলেছে ৫০০ কোটি টাকা।
জালিয়াতের যম
নতুন এই সংস্থা আরবিআইয়ের তৈরি AI/MLমডেলের উপর নির্ভর করবে। এর মাধ্যমে খুব সহজেই ‘Mule Accounts’ বা প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ভুয়ো অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা যাবে। এনপিসিআইয়ের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এ পি হোতার নেতৃত্বাধীন কমিটির সুপারিশ মেনেই তৈরি হয়েছে এই প্ল্যাটফর্মটি। কানাড়া ব্যাঙ্ক, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তৈরি MuleHunter.AI ব্যবহার করে। কিন্তু নয়া এই সংস্থা হতে চলেছে আরও বড়, সেন্ট্রালাইজড একটি পরিকাঠামো। আগামীতে এটি দেশের ডিজিটাল পরিকাঠামোর রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে।