Hooghly: বাড়ি তৈরি করলে দিতে হবে ‘তোলা’! ভয়ঙ্কর পরিণতি বৃদ্ধের, অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে – Bengali News | Allegation against TMC leader for demanding money for making a house
ব্যান্ডেল: বাড়ি করতে গেলে দিতে হবে তোলা! ব্যান্ডেলে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে উঠল অভিযোগ। তোলার টাকা না দেওয়ায় তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বৃদ্ধের মৃত্যু। অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি তৃণমূল সদস্যের।
বাড়ি তৈরির জন্য ১ লক্ষ টাকা ‘তোলা’ চান স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য ও তৃণমূল নেতা দীনেশ যাদব। এমনই অভিযোগ ব্যান্ডেলের বাসিন্দা মহম্মদ ফকিরের পরিবারের। টাকা দিতে অস্বীকার করায় গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় দীনেশ তাঁর দলবল নিয়ে তৃণমূলকর্মী মহম্মদ ফকিরের বাড়িতে চড়াও হন বলে পরিবারের দাবি।
ঘটনার পর হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চুঁচুড়ার ইমামবাড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি হন বছর ষাটের ফকির। ফকিরের ছেলে মহম্মদ আমানের অভিযোগ, এরপরেও তাঁদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেন দীনেশ। এমনকী বৃহস্পতিবার রাতে নির্মীয়মান বাড়ির একাংশ ভেঙেও দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মহম্মদ ফকিরের।
আমানের দাবি, তোলার টাকা দিতে না পারাতেই বাবার এভাবে মৃত্যু হল। তিনি বলেন, “আমি চাই দীনেশকে দল থেকে বহিষ্কার করা হোক। পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নিক।” অন্যদিকে, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা দীনেশ যাদব তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, ১ লক্ষ কেন, এক টাকা চেয়েছি, কেউ প্রমাণ করতে পারবে না। আমন যে তাঁকে ভোটে জেতাতে সাহায্য করেছিলেন, সেটা স্বীকার করে বলেন, প্রতিবেশি এক শিক্ষিকার সঙ্গে খুব খারাপ ব্যবহার করেছে আমান।
বৃদ্ধের মৃত্যুর খবর পেয়ে ব্যান্ডেলে গিয়েছিলেন হুগলি জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল নেতা নির্মাল্য চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “আমি নিজে দেখিনি কী হয়েছিল। তবে আইন সবার জন্য সমান।” স্থানীয় বিজেপি নেতা দেবব্রত বিশ্বাস বলেন, “পরিবার যা অভিযোগ করছে সেটা দেখা উচিত পুলিশ প্রশাসনের। যদিও বৃদ্ধের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি থানায়।”