ক্রিকেটারের সঙ্গে প্রেমেই গর্ভে আসে সন্তান, ভাঙে সম্পর্ক, সেই মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে বাবা? - Bengali News | Was neena gupta allow masaba to connect her father - 24 Ghanta Bangla News
Home

ক্রিকেটারের সঙ্গে প্রেমেই গর্ভে আসে সন্তান, ভাঙে সম্পর্ক, সেই মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে বাবা? – Bengali News | Was neena gupta allow masaba to connect her father

Spread the love

কিংবদন্তী ক্রিকেটার ভিভ রিচার্ডস ও অভিনেত্রী নীনা গুপ্ত। দুজনের বিয়ে হয়নি কোনওদিনও। প্রেমের সম্পর্কেই নীনার গর্ভে আসে ভিভের সন্তান। নীনা মেয়েকে একা হাতে বড় করেছেন। যদিও বাবার দায়িত্ব কোনওদিনও অস্বীকার করেননি ভিভ। তবে নীনা-ভিভের সন্তান হওয়ার কারণে নানা ঝক্কি পোহাতে হয়েছিল মাসাবাকে। সেই নিয়েই সম্প্রতি রক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন তিনি। মাসাবার কথায়, “৭০ শতাংশ সময় বাবা-মায়ের পরিচয় আমাকে সাহায্য করেছে। কিন্তু ৩০ শতাংশ সময় তা হয়নি। ” মাসাবা যোগ করেন, “সবাই মনে করত টাকা পয়সা দিয়ে আমার বাবা-মা হয়তো আমাকে সাহায্য করছে অনেক। আমি নিজে অর্জন করলেও সে রকমটাই ভাবা হতো। সবাই মনে করত বাকিদের তুলনায় হয়তো আমার কাছে বেশি দরজা খোলা।”

মাসাবা পেশায় ফ্যাশন ডিজাইনার। যদিও নিজের পডকাস্ট শুরু করেছেন তিনি। কেন হঠার করে পডকাস্টের চিন্তা ভাবনা? মাসাবার কথায়, “অনেকেই মনে করেন আমি একসঙ্গে অনেক কাজ করতে পারি। যা আমার ভাল লাগে আমি তাই করে থাকি। এভাবে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে থাকি আমি।” তাঁর সেই পডকাস্ট ইতিমধ্যেই বেশ প্রশংসিতও হয়েছে। তবে শুধু পডকাস্টই নয় অভিনয়ও করেছেন মাসাবা। নেটফ্লিক্সের ‘মাসাবা মাসাবা’ নামক সিরিজে দেখা গিয়েছে তাঁকে।

মাসাবা আজ প্রতিষ্ঠিত। তবে তাঁকে মানুষ করতে গিয়ে কম ঝামেলা পোহাতে হয়নি নীনাকেও। সম্মুখীন হয়েছেন বহু সমস্যার। ভিভের প্রতি কি ঘৃণা জন্মেছে তাঁর কখনও? নীনার উত্তর, “আমি বিশ্বাস করি কাউকে ভালবাসলে তাঁকে ঘেন্না করা মোটেও সম্ভব নয়। আমি আমার কোনও প্রাক্তনকেই ঘৃণা করিনা। আমি আমার প্রাক্তন স্বামীকেও ঘেন্না করিনা না।” নীনা যোগ করেছেন, “আমার যদি এতই খারাপ লাগত তবে আমি তাঁর সঙ্গে সন্তানের জন্মই বা দিতাম কেন? আমি কি পাগল?” মায়ের সঙ্গে সহমত মেয়ে মাসাবাও। সাফ জানিয়েছেন, মা কখনওই তাঁর বাবা (ভিভ)-র সঙ্গে মেলামেশায় বাধা দেননি। এমনকি কোনও কারণেই বাবার বিরুদ্ধে বিষিয়ে দেননি মেয়ের মনও। অন্যদিকে মাসাবার বক্তব্য, “আমার সঙ্গে আমার বাবার সম্পর্ক বেশ ভাল। মা সব সময় আমাকেই আমার সিদ্ধান্ত নিতে দিয়েছে। নিজের বিচারবুদ্ধি দিয়ে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা দিয়েছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *