Bihar Voter List: দিল্লিতে জোর কায়েমে মরিয়া তৃণমূল! ভোটার তালিকা ইস্যুতে যাবে কমিশনে – Bengali News | TMC Will to Move Election Commission Over Bihar Voter List Irregularities
সায়নী ঘোষ ও ডেরেক ও’ব্রায়েন (ফাইল চিত্র)Image Credit source: PTI
নয়াদিল্লি: মঙ্গলে কমিশনে দ্বারস্থ হবে তৃণমূল। আগামী ২১ জুলাই থেকে সংসদে শুরু হচ্ছে বাদল অধিবেশন। তার আগেই দিল্লির মাটিতে জোর কায়েম রাখতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির। সূত্রের খবর, এদিন বিহারের ভোটার তালিকা নিয়ে কমিশনে দ্বারস্থ হতে চলেছে তারা।
সকাল ১১টার সময় কমিশনে যাবে তৃণমূলের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। এই বিশেষ দলকে কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেই প্রসঙ্গে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিবারের মতো হয়তো একেবারে প্রথমসারিতেই হাঁটতে দেখা যাবে তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, এদিনের কমিশন ‘অভিযানে’ দিল্লির প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগ দেবেন বাংলার মন্ত্রীরাও।
সাম্প্রতিক কালে বিহারের ভোটার তালিকা নিয়ে দিঘা থেকে সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই দিল্লিতে জোট বাঁধার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ‘ইন্ডিয়া’ শরিক। তৃণমূলের তরফে ডেরেক ও’ব্রায়েন সাফ জানিয়েছিলেন, ‘বিহার ভোটার তালিকা সংশোধন ইস্যুতে ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। সবাই সরব হবে। অধিবেশন পর্যন্ত কেউ অপেক্ষা করব না।’ সেই হুঁশিয়ারির পরেই আপাতত ভাবে ‘একাই’ কমিশনের পথে ঘাসফুল শিবির। পাশে ‘ইন্ডিয়া’র অন্য শরিকদের দেখা যায় কি না সেটার উত্তর দেবে সময়।
উল্লেখ্য, সোমে বিহারের ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রসঙ্গে বেশ কিছু ছাড়ের কথা ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম নির্দেশিকার পর সোমবার জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তিতে এক গুচ্ছ বদল এনেছে তারা। কমিশন জানিয়েছে,
- বিহারের ২০০৩ সালে ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে মোট ৪.৯৬ কোটি ভোটারের নথি-বিবরণ রয়েছে।
- ২০০৩ সালের এই ভোটার তালিকা প্রকাশের ফলে নিবিড় সমীক্ষার কাজ আরও সহজ হবে। আগে যেখানে ৮ কোটি ভোটারের তথ্য যাচাই করতে হত, এখন তা প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গিয়েছে।
- ওয়েবাসাইটে প্রকাশিত ৪.৯ কোটি ভোটারকে আর কোনও রকম পরিচয়পত্র বা নথি জমা দিতে হবে না।
- তবে যে সকল ভোটারের নাম সেই তালিকায় নেই। তারা তাদের বাবা কিংবা মায়ের পরিচয়পত্র অন্য কোনও নথির পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ ১৯৮৭ সালের পর যাদের জন্ম, কিন্তু ২০০৩ সালের তালিকায় নাম নেই। সেক্ষেত্রে ওই তালিকায় তাদের বাবা-মায়ের নাম থাকলে, আলাদা কোনও নথির প্রয়োজন হবে না।
