Howrah-Masagram New Train: কেমন চলছে বাঁকুড়া-মশাগ্রাম-হাওড়া নতুন ট্রেন? প্রথমদিনে ট্রেনে উঠে কী বলছেন যাত্রীরা - Bengali News | How is the new Bankura Mashagram Howrah MEMU train going, What are the passengers saying on the first day of the train - 24 Ghanta Bangla News
Home

Howrah-Masagram New Train: কেমন চলছে বাঁকুড়া-মশাগ্রাম-হাওড়া নতুন ট্রেন? প্রথমদিনে ট্রেনে উঠে কী বলছেন যাত্রীরা – Bengali News | How is the new Bankura Mashagram Howrah MEMU train going, What are the passengers saying on the first day of the train

Spread the love

ট্রেনে উঠে কী বলছেন যাত্রীরা? Image Credit source: TV 9 Bangla

পূর্ব বর্ধমান: পূরণ হয়েছে দীর্ঘদিনের দাবি। শেষ পর্যন্ত পুরুলিয়া থেকে মশাগ্রাম হয়ে হাওড়া পর্যন্ত গড়িয়েছে ট্রেনের চাকা। আগামী ৩০ জুন থেকে ছুটবে ৮ কোচের মেমু ট্রেন। আগামীতে তা ১২ কোচেরও হতে পারে। হাওড়া থেকে পুরুলিয়া পর্যন্ত ভাড়া ঠিক হয়েছে ৬০ টাকা। মোট সময় লাগবে ৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার যাত্রীরা নতুন ট্রেন তো পাচ্ছেনই সঙ্গে মুখে হাসি ফুটেছে হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনের যাত্রীদেরও। কারণ, ট্রেনটা যাবে ওই লাইন দিয়েই। 

 শনিবার ট্রেনটির ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ইতিমধ্যেই ট্রেনটির সময়সূচি প্রকাশ করেছে পূর্ব রেল। সামনে এসেছে সূচি। দাঁড়াবে মশাগ্রাম সহ ৫০ স্টেশনেই। চলবে সপ্তাহের ৬ দিন। এই নতুন মেমু লোকালটি পুরুলিয়া থেকে ছেড়ে ভায়া বাঁকুড়া-মশাগ্রাম হয়ে কর্ড লাইনে উঠবে। তারপর কর্ড লাইন ধরে হাওড়া পৌঁছবে। 

পূর্ব রেল ও দক্ষিণ পূর্ব রেলের সংযোগকারী স্টেশনগুলির মধ্য়ে বড় ভূমিকা পালন করে এই মশাগ্রাম স্টেশন। রেল বলছে, এই নতুন মেমু লোকাল ট্রেন পুরুলিয়া থেকে ছেড়ে ভায়া বাঁকুড়া-মশাগ্রাম হয়ে কর্ড লাইনে উঠবে। তারপর কর্ড লাইন ধরে হাওড়া পৌঁছবে। তাতেই খুশির হাওয়া যাত্রীদের মধ্যে। 

মশাগ্রামের এক যাত্রী বলছেন, “এই স্টেশনের গুরুত্ব অনেক। লিঙ্ক ট্রেনের দাবি আমাদের দীর্ঘদিন শেষ পর্যন্ত আমাদের কথা শুনেছে কেন্দ্র। রেলমন্ত্রী আজ ট্রেনের উদ্বোধন করলেন আমরা খুবই খুশি।” ঠিক হয়েছে পুরুলিয়া থেকে বাঁকুড়া পর্যন্ত চারটে জায়গায় দাঁড়াবে। বাঁকুড়া থেকে মশাগ্রাম পর্যন্ত সব স্টেশনেই দাঁড়াবে। মশাগ্রাম থেকে হাওড়ার মধ্যে ১২টা স্টপেজ থাকবে। প্রথমদিনই নতুন ট্রেনে উঠেছিলেন এক যাত্রী। মুখে তৃপ্তির রেশ। বলছেন, “খুব ভাল লাগছে। আমি খুব খুশি। এতদিন শুধু মশাগ্রাম থেকে বাঁকুড়া যেত। এবার মশাগ্রাম থেকে সোজা হাওড়া যাবে। আমাদের খুব উপকার হল।”  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *