Arshad Warsi: বিপাকে ‘সার্কিট’ আরশাদ, কী হল অভিনেতার? – Bengali News | Actor Arshad Warsi and Others in trouble for stock manipulation Through Youtube, know the full story
মুম্বই: তিনি পর্দার ‘সার্কিট’। তাঁকে পর্দায় দেখে হেসে গড়িয়ে পড়েন দর্শকরা। পর্দায় আবার ‘জলি এলএলবি’-ও তিনি। সেই আরশাদ ওয়ার্সি এবার বিপাকে পড়লেন। সাধনা ব্রডকাস্টের শেয়ার কেনার পরামর্শ দিয়ে একটি বিভ্রান্তিকর ইউটিউব ভিডিয়ো করার অভিযোগে ওয়ার্সি, তাঁর স্ত্রী মারিয়া গোরেত্তি এবং আরও ৫৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল সেবি। SEBI তাঁদের সকলকে ১ থেকে ৫ বছরের জন্য শেয়ার বাজারে বিনিয়োগে নিষেধাজ্ঞা জারি করল। জানা গিয়েছে, আরশাদ ওয়ার্সি এবং মারিয়া গোরেত্তি ১ বছরের জন্য শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে পারবেন না। ৫ লক্ষ টাকা করে তাঁদের ২ জনের জরিমানাও করা হয়েছে। এছাড়াও আরও ৫৭ জনকে ৫ লক্ষ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে।
সেবি এই ব্যক্তিদের ৫৮.০১ কোটি টাকা অবৈধ উপার্জনের ১২ শতাংশ বার্ষিক সুদ-সহ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, আরশাদ ওয়ার্সি ৪১.৭০ লক্ষ টাকা এবং মারিয়া গোরেত্তি ৫০.৩৫ লক্ষ টাকা লাভ করেছেন। আরশাদ ও তাঁর স্ত্রীকে সবমিলিয়ে ১.০৫ কোটি টাকা ফেরত দিতে বলা হয়েছে।
সেবি’র মতে, এই পুরো বিষয়টির পিছনে প্রধান ব্যক্তি ছিলেন গৌরব গুপ্ত, রাকেশ কুমার গুপ্ত এবং মণীশ মিশ্র। তদন্তে জানা গিয়েছে, সুভাষ আগরওয়াল, মণীশ মিশ্র, পীযূষ আগরওয়াল, লোকেশ শাহ এবং যতীন শাহের মতো ব্যক্তিরা এই পুরো বিষয়টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সুভাষ আগরওয়াল সাধনা ব্রডকাস্টের আরটিএ-র ডিরেক্টর ছিলেন। তিনি মণীশ মিশ্র এবং কোম্পানির প্রোমোটারদের মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছিলেন। SEBI জানিয়েছে, এই ব্যক্তিরা এই জালিয়াতির পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নে জড়িত ছিলেন। এছাড়াও, পীযূষ আগরওয়াল এবং লোকেশ শাহ তাঁদের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মণীশ মিশ্র এবং প্রোমোটারদের সাহায্য করেছিলেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যতীন শাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
এই খবরটিও পড়ুন
১০৯ পৃষ্ঠার নির্দেশে SEBI জানিয়েছে, এই পরিকল্পিত প্রকল্প দুটি ধাপে বাস্তবায়িত হয়েছিল। প্রথম ধাপে, প্রোমোটারদের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা সাধনা ব্রডকাস্টের শেয়ারের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে দেন। ছোট ছোট লেনদেন করে শেয়ারের দাম বাড়িয়ে দেন। এর ফলে বাজারে একটি ভুল ধারণা তৈরি হয়। দ্বিতীয় ধাপে, মণীশ মিশ্র পরিচালিত ইউটিউব চ্যানেলগুলিতে (মানিওয়াইজ, দ্য অ্যাডভাইজার, প্রফিট যাত্রা) ভুয়ো ভিডিয়ো আপলোড করা হয়েছিল। শেয়ারের দাম বাড়ানোর জন্য এই ভিডিয়োগুলি আপলোড করা হয়েছিল।
২০২২ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিযোগ পাওয়ার পর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযোগ বলা হয়, ইউটিউবে ভুয়ো ভিডিয়ো আপলোড করে বিনিয়োগকারীদের প্রলুব্ধ করা হচ্ছে।
