ভূত চতুর্দশীতে পুজো দশ মাথার মহাকালীর
এ বার এই পুজোর ৯৬তম বর্ষ। পুজো উদ্যোক্তা পাপান দাস, জয়ন্ত – চৌধুরী বলেন, ‘ব্রিটিশ শাসকদের অত্যাচার সহ্য করতে না-পেরে পুড়াটুলির কিছু মানুষ বিদ্রোহ করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়তে গেলে প্রয়োজন শক্তি এবং সাহস। শারীরিক ভাবে নিজেদের শক্তিশালী করে তুলতে ১৯৩০-এ তাঁরা তৈরি করেন একটি ব্যায়ামাগার। সেই সঙ্গে মনকে শক্ত করতে ওই বছর থেকেই শুরু হয় কালীর আরাধনা।’ এখন ব্রিটিশ শাসক নেই। তাতে অবশ্য মহাকালীর আরাধনা বন্ধ হয়নি। বছরের পর বছর ধরে প্রথা মেনে পূজিত হয়ে আসছেন মহাকালী। এখানে স্থায়ী প্রতিমা নেই। কালীপুজোর সময়ে মৃন্ময়ী মূর্তি গড়ে পুজো করা হয়। তার পরে সেই প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। তবে সারাবছর এই মন্দিরে দেবীর ছবিতে পুজো হয়ে আসছে। মন্দিরের দেবীর ১০টি করে মাথা, হাত এবং পা রয়েছে। প্রতিটি হাতে রয়েছে অস্ত্র। ব্যায়াম সমিতির সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রথম প্রতিমা তৈরি করেছিলেন রামকেষ্ট দাস। প্রথম পুরোহিত ছিলেন শরৎ পণ্ডিত।