মাঁ–ই–ত কালী নিয়ে ফের জমজমাট সোনামুখী
কথিত আছে, একদিন লুটপাট চালাতে সোনামুখীতে হানা দিয়েছিল বর্গিরা। বাজনা বাজিয়ে নাচতে নাচতে তারা জড়ো হয়েছিল ওই ছাউনির সামনে। ভয়ে ঘরবন্দি ছিলেন স্থানীয়রা। সেই সময়ে সন্ধ্যায় প্রদীপ নিয়ে মা কালীর কাছে আসেন এক বৃদ্ধ। প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখেন মায়ের ঘটের সামনে। তার পরে হাঁড়িকাঠের সামনে প্রণাম করতে গেলে খাঁড়া উঁচিয়ে বৃদ্ধকে বলি দিতে যান বর্গি দলের সর্দার। কিন্তু কোনও এক দৈবশক্তিতে খাঁড়া আর নামেনি। মুহূর্তে দৃষ্টিশক্তি হারায় ওই বর্গি সর্দার। বৃদ্ধকে বর্গি সর্দার বলে, ‘নিজের ভুল বুঝতে পেরেছি। এখানে আর বলি দেবো না। আমাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দাও।’ বৃদ্ধ তখন মন্দির থেকে মায়ের ঘটের জল নিয়ে বর্গি সর্দারের চোখে ও সারা শরীরে ছিটিয়ে দেন। দৃষ্টি ফিরে পায় সর্দার। সেই সর্দার জানতে চান, এখানে কোন দেবতা রয়েছেন? বৃদ্ধ জানান, রয়েছেন মা কালী’। তা শুনে বর্গি সর্দার বলে ওঠে, ‘মাঁ-ই-ত কালী হ্যায়’। দলে নিয়ে ফেরার সময়ে ওই বর্গি সর্দার চার-পাঁচটি বড় আকারের খাঁড়াও বৃদ্ধের হাতে তুলে দেয়। শোনা যায়, তখন থেকেই এই কালীর নাম হয়েছে মাঁ-ই-ত কালী।