বহিষ্কৃত স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।
ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট ওই ছাত্রীকে বহিষ্কার করায় সহপাঠী ও শিক্ষকদের একাংশ হতাশ, ক্ষুব্ধ। অনেকের মতে, সাময়িক সাসপেনশন করা যেত। এক প্রবীণ শিক্ষকের কথায়, ‘বয়সোচিত উত্তেজনায় কোনও ভুল যদি কেউ করেও ফেলে, তা হলে তাকে শুধরে দেওয়াই তো আমাদের কাজ! এত ব্রাইট ছাত্রীকে এ ভাবে হারাতে হবে?’ ছাত্রীটির দাবি, ব্যানারে আপত্তিকর শব্দ তিনি লেখেননি। যিনি লিখেছিলেন, সেই প্রাক্তনীর সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাত্র। এবিভিপি-র পাল্টা দাবি, বিবেকানন্দের ছবিতে অশালীন কথা লিখে ক্ষমার অযোগ্য কাজ করেছেন এঁরা। স্নাতকে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত ছাত্রীটি জানান, ৩০ অক্টোবর তদন্ত কমিটিকে নিজের বক্তব্য জানিয়ে লিখিত ভাবে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার কথাও দেন। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক মতাদর্শগত বিরোধ থেকেই একটি সংগঠনকে নিশানা করে ওই স্লোগান লেখা হয়েছিল। স্বামী বিবেকানন্দকে অপমান করার উদ্দেশ্যই ছিল না। তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছিলাম, শব্দগুলি আমি লিখিনি এবং এই কাজ অবিবেচনাপ্রসূত।’ তাঁর দাবি, সিনিয়রদের একাংশের পরামর্শেই ক্ষমা চেয়েছিলেন তিনি। তাঁকে বলা হয়েছিল, এতে মিটমাট হয়ে যাবে। তার পরেও বহিষ্কৃত হওয়ায় ওই ছাত্রীর ক্ষোভ, ‘এখন মনে হয়, ক্ষমা চাওয়া উচিত হয়নি।’ বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে তিনি বিপর্যস্ত। বলেন, ‘আমরা এমন কিছু করিনি, যার জন্য এত কড়া শাস্তি পেতে হবে। কারও প্রাণের ঝুঁকি তৈরি হয়নি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তিও নষ্ট হয়নি।’ শাস্তি পুনর্বিবেচনার জন্য উপাচার্যকে আবেদন জানাবেন তিনি।