চিন থেকে ২০টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ, অনুমোদন দিলেন তারেক রহমান
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিন থেকে জে-সিরিজের যুদ্ধবিমান সংগ্রহের জন্য নীতিগত ও আর্থিক অনুমোদন দিয়েছেন। একটি ‘সরকার-থেকে-সরকার’ (জিটুজি) চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ চিন থেকে ২০টি জে-১০সিই…
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিন থেকে জে-সিরিজের যুদ্ধবিমান সংগ্রহের জন্য নীতিগত ও আর্থিক অনুমোদন দিয়েছেন। একটি ‘সরকার-থেকে-সরকার’ (জিটুজি) চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ চিন থেকে ২০টি জে-১০সিই (J-10CE) যুদ্ধবিমান ক্রয় করবে। ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চিনা কমিউনিস্ট পার্টির ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এই বৈঠকটি ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এতে চিনা প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। ঢাকায় নিযুক্ত চিনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত লিউ ইউয়িনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ-চিন যুদ্ধবিমান চুক্তির বিষয়বস্তু কী?
- এই চুক্তির আওতায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর জন্য চিন থেকে ২০টি জে-১০সিই (J-10CE) যুদ্ধবিমান কেনা হবে।
- জি২জি (সরকার-থেকে-সরকার) চুক্তির মাধ্যমে চিনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘চায়না ন্যাশনাল অ্যারো-টেকনোলজি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশন’ (CATIC) থেকে এই যুদ্ধবিমানগুলো সংগ্রহ করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রক এই অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে ২৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা (২.১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) প্রদান করা হবে।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০ শতাংশ অগ্রিম অর্থ পাবে। যুদ্ধবিমানগুলোর মূল ব্যয় ধরা হয়েছে ১.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- সুদের পরিমাণ হবে ১৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রথম কিস্তির পরিমাণ হবে ৩৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- বাংলাদেশ ২০২৭ সালে চিন থেকে এই যুদ্ধবিমানগুলো পেতে পারে।
মহম্মদ ইউনূস উদ্যোগ গ্রহণ করেন
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আকাশসীমা সংক্রান্ত সংঘাতের পর, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে চিনের তৈরি জে-১০সিই (J-10CE) যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করে। পাকিস্তানও চিনের তৈরি এই যুদ্ধবিমানগুলো ব্যবহার করে থাকে। পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সঙ্গে আকাশপথে সংঘাতের সময় তারা এই যুদ্ধবিমানগুলো মোতায়েন করেছিল।