TVS Ronin-এর কোন ভ্যারিয়েন্ট কিনবেন? Diwali-তে সেরা পছন্দ কোনটি - 24 Ghanta Bangla News
Home

TVS Ronin-এর কোন ভ্যারিয়েন্ট কিনবেন? Diwali-তে সেরা পছন্দ কোনটি

Spread the love


নয়াদিল্লি: দীপাবলির মরশুমে নতুন বাইক কেনার পরিকল্পনা থাকলে TVS Ronin আপনার পছন্দের তালিকায় থাকতে পারে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই Neo-Retro মোটরসাইকেলের ভ্যারিয়েন্ট লাইনআপে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে TVS। নতুন Base+ ভ্যারিয়েন্ট যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি Mid এবং Top ভ্যারিয়েন্টেও এসেছে কিছু ফিচার আপডেট। ফলে ক্রেতাদের সামনে এখন চারটি ভিন্ন বিকল্প রয়েছে। দাম শুরু হচ্ছে প্রায় ১.৩০ লক্ষ টাকা থেকে, আর সর্বোচ্চ ভ্যারিয়েন্টের দাম প্রায় ১.৬৪ লক্ষ টাকা।

তবে সব ভ্যারিয়েন্টে ইঞ্জিন, ডিজাইন এবং মূল হার্ডওয়্যার একই। মূল পার্থক্য রয়েছে ABS, কানেক্টিভিটি এবং অতিরিক্ত ফিচারে। তাই বেশি টাকা খরচ করার আগে কোন ভ্যারিয়েন্টে কী সুবিধা মিলছে, তা জেনে নেওয়া জরুরি।

TVS Ronin-এর ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী দাম

দিল্লিতে বাইকটির অন-রোড দাম নিচে দেওয়া হল।

ভ্যারিয়েন্ট রং অন-রোড দাম
Base Lightning Black ১,৩০,২৯০ টাকা
Base Magma Red ১,৩১,৯৯০ টাকা
Base Agonda Edition ১,৩৩,৭৯০ টাকা
Base+ Sunlit Yellow, Desert Mirage ১,৪২,৪৯০ টাকা
Mid Glacier Silver ১,৫১,৫৪০ টাকা
Mid Charcoal Ember ১,৫২,৮৪০ টাকা
Top Nimbus Grey, Midnight Blue ১,৬৩,৬৪০ টাকা

ইঞ্জিন ও ডিজাইনে কোনও পরিবর্তন নেই

ভ্যারিয়েন্ট বদলালেও TVS Ronin-এর মূল যান্ত্রিক বৈশিষ্ট্যে কোনও পার্থক্য নেই। প্রতিটি মডেলেই রয়েছে ২২৫.৯ সিসি এয়ার-অয়েল কুলড সিঙ্গল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন। এটি সর্বোচ্চ ২০.৪ PS শক্তি এবং ১৯.৯৩ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। সঙ্গে রয়েছে ৫-স্পিড গিয়ারবক্স এবং Assist ও Slipper Clutch।

বাইকটির Kerb Weight ১৬০ কেজি এবং Seat Height ৭৯৫ মিমি। ডিজাইনের ক্ষেত্রে রয়েছে গোল LED হেডল্যাম্প, T-shaped DRL, ১৪ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক এবং Contoured Single-piece Seat। Neo-Retro স্টাইলিংয়ের কারণে বাইকটি আধুনিক ও ক্লাসিক ডিজাইনের মিশেল।

রাইডিং অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে কম গতিতে ইঞ্জিনের টান এবং হ্যান্ডলিং বেশ ভালো। বাইকটি সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে ঘণ্টায় প্রায় ৯০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে কিছুটা ভাইব্রেশন অনুভূত হতে পারে। ব্রেকের কামড় আরও শক্তিশালী হলে ভালো হত। পিছনের পিলিয়ন সিটের আরাম নিয়েও কিছুটা উন্নতির সুযোগ রয়েছে।

কোন ভ্যারিয়েন্টে কী সুবিধা?

Base ও Base+: নিরাপত্তায় বড় পার্থক্য

Ronin-এর Base ভ্যারিয়েন্টে রয়েছে Single-channel ABS। অন্যদিকে নতুন Base+ ভ্যারিয়েন্টে মিলবে Dual-channel ABS। ফলে সামনে ও পিছনের দুই চাকাতেই ABS-এর সুবিধা পাওয়া যাবে।

মজার বিষয় হল, দুই ভ্যারিয়েন্টের বাকি প্রধান হার্ডওয়্যার একই। উভয় মডেলেই রয়েছে ৪১ মিমি USD Fork, Preload-adjustable Monoshock এবং সামনে ৩০০ মিমি ও পিছনে ২৪০ মিমি Disc Brake। টায়ারের মাপও একই, সামনে ১১০/৭০-১৭ এবং পিছনে ১৩০/৭০-১৭।

তাই কম দামে Dual-channel ABS চাইলে Base+ ভ্যারিয়েন্টটি সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত বিকল্প।

Mid: কানেক্টিভিটি ও দৈনন্দিন ব্যবহারের সুবিধা

Base+ থেকে Mid ভ্যারিয়েন্টে গেলে অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে পাওয়া যাবে Bluetooth Connectivity, Navigation এবং Type-C Charging Port। এছাড়া Dual-channel ABS তো থাকছেই।

যাঁরা নিয়মিত বাইক চালান এবং স্মার্টফোন কানেক্টিভিটি ও নেভিগেশন ব্যবহার করতে চান, তাঁদের কাছে Mid ভ্যারিয়েন্ট বেশি আকর্ষণীয় হতে পারে।

Top: প্রিমিয়াম ফিচারের জন্য

সবচেয়ে দামি Top ভ্যারিয়েন্টে রয়েছে Traction Control এবং Premium Seat। পাশাপাশি Mid-এর সমস্ত ফিচারও পাওয়া যাবে। ফলে যাঁরা Ronin-এর সর্বোচ্চ ফিচার প্যাকেজ চান, তাঁদের জন্য এটি উপযুক্ত।

চারটি ভ্যারিয়েন্টের ফিচার এক নজরে

ফিচার Base Base+ Mid Top
All-LED Lighting হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ
LCD Console হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ
Glide Through Technology হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ
Rain ও Urban ABS Modes হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ
Dual-channel ABS না হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ
Bluetooth ও Navigation না না হ্যাঁ হ্যাঁ
Type-C Charger না না হ্যাঁ হ্যাঁ
Traction Control না না না হ্যাঁ
Premium Seat না না না হ্যাঁ

প্রতিটি ভ্যারিয়েন্টেই থাকা LCD Console-এ Speed, RPM, Gear Position, Distance to Empty, Average Speed, Fuel Level এবং Dual Tripmeter-এর তথ্য দেখা যায়। তবে Adjustable Brake ও Clutch Lever-এর মতো অতিরিক্ত সুবিধা উচ্চতর ভ্যারিয়েন্টগুলিতে পাওয়া যায়।

Diwali-তে কোন TVS Ronin ভ্যারিয়েন্ট কিনবেন?

চারটি ভ্যারিয়েন্টের মধ্যে Base+ সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ পছন্দ হতে পারে। কারণ Base-এর তুলনায় কিছুটা বেশি দাম দিলেই Dual-channel ABS পাওয়া যাচ্ছে। নিরাপত্তার দিক থেকে এই আপগ্রেডটি গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে, Bluetooth, Navigation এবং Type-C Charging প্রয়োজন হলে Mid ভ্যারিয়েন্ট বেছে নেওয়া যেতে পারে। আর Traction Control ও Premium Seat-সহ সমস্ত ফিচার চাইলে Top ভ্যারিয়েন্ট বিবেচনা করা উচিত।

শুধুমাত্র কম দামের কথা না ভেবে প্রয়োজনীয় ফিচার এবং নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভালো। বিশেষ করে নিয়মিত বাইক চালানোর পরিকল্পনা থাকলে Dual-channel ABS-সহ Base+ ভ্যারিয়েন্টটি দামের তুলনায় ভালো সুবিধা দিতে পারে।

Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *