TMC to NCPI: কাকলীদের NCPI-তে বাড়ল ‘শক্তি’ | Some people left tmc and join in NCPI
দেগঙ্গা: উত্তর ২৪ পরগনার রাজনৈতিক মহলে ফের দলবদল ঘিরে চর্চা শুরু। এবার হাড়োয়া বিধানসভার অন্তর্গত দেগঙ্গা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে বড়সড় ভাঙনের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ১৮ জন সদস্যের মধ্যে ১২ জন সদস্য তৃণমূল ছেড়ে NCPI দলে যোগদান করলেন। ফলে, পৌরভোটের আগে কাকলী ঘোষ দস্তিদারদের এনসিপিআই-এ শক্তি আরও বাড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। শনিবার তাঁদের এই দলবদলকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে এলাকায়।
এর আগে কুলটি, মুরারিশাহ্ এবং বকজুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতেও তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলে যোগদানের ঘটনা সামনে এসেছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল দেগঙ্গা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত। একসঙ্গে ১২ জন সদস্যের দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ১৮ জন সদস্যের মধ্যে ১২ জনই দল ছাড়ায় পঞ্চায়েতের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
দলত্যাগী সদস্যদের বক্তব্য, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উন্নয়নমূলক কাজের প্রতি আস্থা রেখেই NCPI-তে যোগ দিয়েছেন বলে দাবি তাঁদের।
অন্যদিকে, এই দলবদলকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ বসিরহাট জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের এক নেতার অভিযোগ, যাঁরা NCPI-তে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা দুর্নীতিগ্রস্ত। নিজেদের দুর্নীতি আড়াল করতেই তাঁরা দলবদল করছেন। তবে কয়েকজন সদস্যের দলত্যাগে তৃণমূলের সংগঠনের কোনও ক্ষতি হবে না বলেও দাবি করেছেন তিনি।
সব মিলিয়ে দেগঙ্গায় একসঙ্গে ১২ জন পঞ্চায়েত সদস্যের দলবদল ঘিরে সরগরম জেলার রাজনৈতিক মহল। আগামী দিনে এই ভাঙনের প্রভাব এলাকার পঞ্চায়েত রাজনীতিতে কতটা পড়ে, এখন সেটাই দেখার।