Hyundai Bayon-এর মাইলেজ কত? ম্যানুয়ালের চেয়ে বেশি সাশ্রয়ী CVT গিয়ারবক্স - 24 Ghanta Bangla News
Home

Hyundai Bayon-এর মাইলেজ কত? ম্যানুয়ালের চেয়ে বেশি সাশ্রয়ী CVT গিয়ারবক্স

Spread the love


গুরুগ্রাম: ভারতে নতুন Hyundai Bayon লঞ্চের পর এ বার সামনে এল SUV-টির জ্বালানি সাশ্রয়ের পরিসংখ্যান। ১.৫ লিটারের পেট্রল ইঞ্জিনে আসা এই গাড়িতে ম্যানুয়াল ও CVT অটোমেটিক, দুই ধরনের গিয়ারবক্সের বিকল্প রয়েছে। তবে মজার বিষয় হল, ম্যানুয়ালের তুলনায় CVT সংস্করণে বেশি মাইলেজের দাবি করেছে Hyundai। সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, CVT গিয়ারবক্সে প্রতি লিটারে ১৮.৬ কিলোমিটার এবং ম্যানুয়াল সংস্করণে ১৭.২ কিলোমিটার চলবে Bayon।

ভারতে Hyundai Bayon-এর এক্স-শোরুম দাম শুরু হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা থেকে। গাড়িটি Venue ও Creta-র মাঝামাঝি অবস্থানে রাখা হয়েছে। প্রচলিত SUV ডিজাইনের বাইরে গিয়ে এতে দেওয়া হয়েছে আলাদা ধরনের ক্রসওভার লুক।

কোন গিয়ারবক্সে কত মাইলেজ?

Hyundai-র দাবি অনুযায়ী, Bayon-এর দুই ধরনের গিয়ারবক্সে মাইলেজের পার্থক্য রয়েছে।

ইঞ্জিন গিয়ারবক্স সংস্থার দাবি করা মাইলেজ
১.৫ লিটার পেট্রল ৬-স্পিড ম্যানুয়াল ১৭.২ কিমি/লিটার
১.৫ লিটার পেট্রল CVT অটোমেটিক ১৮.৬ কিমি/লিটার

অর্থাৎ, CVT অটোমেটিক সংস্করণ ম্যানুয়ালের তুলনায় প্রতি লিটারে ১.৪ কিলোমিটার বেশি চলবে বলে দাবি করা হয়েছে। সাধারণত অটোমেটিক গাড়িতে ম্যানুয়ালের তুলনায় মাইলেজ কম হওয়ার ধারণা থাকলেও Bayon-এর ক্ষেত্রে সংস্থার দেওয়া পরিসংখ্যান সেই ধারণার উল্টো ছবি দেখাচ্ছে।

তবে এগুলি সংস্থার দাবি করা মাইলেজ। বাস্তবে গাড়ির চালানোর ধরন, রাস্তার পরিস্থিতি, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ এবং আবহাওয়ার মতো একাধিক বিষয়ের উপর প্রকৃত মাইলেজ নির্ভর করবে।

১১৫ PS শক্তির পেট্রল ইঞ্জিন

Hyundai Bayon-এ রয়েছে ১.৫ লিটারের ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড পেট্রল ইঞ্জিন। একই ইঞ্জিন Hyundai Creta এবং Verna-তেও ব্যবহার করা হয়।

ইঞ্জিনটি সর্বোচ্চ ১১৫ PS শক্তি এবং ১৪৪ Nm টর্ক উৎপাদন করে। এর সঙ্গে ৬-স্পিড ম্যানুয়াল অথবা CVT অটোমেটিক গিয়ারবক্সের বিকল্প রয়েছে। গাড়িটি ফ্রন্ট-হুইল ড্রাইভ (FWD) কনফিগারেশনে পাওয়া যাচ্ছে।

ডিজাইন ও ফিচারে কী রয়েছে?

Bayon-এর সামনের অংশে রয়েছে ইনভার্টেড L-আকৃতির LED DRL, যা একটি সরু কালো স্ট্রিপের মাধ্যমে যুক্ত। LED হেডল্যাম্প বসানো হয়েছে বাম্পারের নিচের দিকে। সামনের সিলভার স্কিড প্লেট গাড়িটিকে কিছুটা রাগেড লুক দিয়েছে।

পাশ থেকে দেখলে নজরে পড়বে ১৭ ইঞ্চির অ্যালয় হুইল, মোটা বডি ক্ল্যাডিং এবং রুফ রেল। পিছনে রয়েছে ইনভার্টেড L-আকৃতির LED টেলল্যাম্প এবং সিলভার বাম্পার অ্যাপ্লিক।

কেবিনের ডিজাইন আন্তর্জাতিক বাজারের i20 থেকে অনুপ্রাণিত। ড্যাশবোর্ডে রয়েছে দুটি ১২.৩ ইঞ্চির ডিসপ্লে। এর মধ্যে একটি টাচস্ক্রিন ইনফোটেনমেন্ট সিস্টেম এবং অন্যটি ডিজিটাল ড্রাইভার ডিসপ্লে।

এ ছাড়া রয়েছে প্যানোরামিক সানরুফ, ভেন্টিলেটেড ফ্রন্ট সিট, ৮-ওয়ে পাওয়ার অ্যাডজাস্টেবল ড্রাইভার সিট, অটোমেটিক ক্লাইমেট কন্ট্রোল, অ্যাম্বিয়েন্ট লাইটিং, ওয়্যারলেস ফোন চার্জিং এবং ৮-স্পিকার Bose সাউন্ড সিস্টেম।

নিরাপত্তা ও দাম

নিরাপত্তার জন্য Hyundai Bayon-এ রয়েছে ছ’টি এয়ারব্যাগ, ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা এবং Level-2 ADAS। পাশাপাশি মিলবে Electronic Stability Control (ESC), Tyre Pressure Monitoring System (TPMS), Hill Hold Assist এবং সামনে, পাশে ও পিছনে পার্কিং সেন্সর।

ভারতে গাড়িটি মোট সাতটি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলি হল HX2, HX3, HX3 Plus, HX5, HX6, HX8 এবং HX10। দাম ১০ লক্ষ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা (এক্স-শোরুম)।

প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে Hyundai Creta, Kia Seltos, Maruti Grand Vitara, Toyota Urban Cruiser Hyryder, Maruti Victoris, Renault Duster, Honda Elevate, Tata Sierra, Skoda Kushaq এবং Volkswagen Taigun।

মাইলেজের দিক থেকে CVT সংস্করণ এগিয়ে থাকলেও গাড়ি কেনার আগে নিজের চালানোর ধরন, বাজেট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ম্যানুয়াল ও অটোমেটিক, দুই বিকল্পই বিবেচনা করা উচিত।

Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *