সরকারি ছুটিতে আরও কাটছাঁট হচ্ছে রাজ্যে।
চলতি বছরে সরকারি ছুটির সংখ্যা প্রায় ৫০ দিন। ২০২৫–এ এই সংখ্যাটা ছিল ৫০-এর বেশি। প্রতি বছর অর্থ দপ্তর এই ছুটির তালিকা তৈরি করে। তালিকায় যেমন রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি ছুটি (এনআই অ্যাক্ট অনুযায়ী), তেমনই রাজ্যেরও সরকারি ছুটিও। এ ছাড়াও ব্যাঙ্কে রাজ্য ভিত্তিক কিছু আলাদা ছুটি তো থাকে। নতুন বছরের ছুটির তালিকা জন্য ইতিমধ্যেই খসড়া তৈরি করেছে অর্থ দপ্তর। এই তালিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী একদফা অর্থ সচিবের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলেও সূত্রের দাবি। নবান্নের এক আধিকারিক বৃহস্পতিবার বলেন, ‘অর্থসচিব ৪৫ দিনের ছুটির একটি খসড়া তালিকা দিয়েছিলেন। তা আরও কমিয়ে ৪০ দিনে আনার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।’ তবে আগের তালিকা থেকে ঠিক কোন কোন সরকারি ছুটি বাদ পড়তে চলেছে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। নবান্ন সূত্রের খবর, তৃণমূল জমানায় বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক অনুষ্ঠান ও মনীষীদের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রাজ্যে ছুটির তালিকা দীর্ঘায়িত হয়েছিল। ঠাকুর পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন, শিবরাত্রি, শবেবরাত, হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মদিন, বিরসা মুণ্ডার জন্মদিন, করম পুজোর মতো বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে রাজ্য সরকারি ছুটির তালিকা তৈরি হয়েছিল। আবার দুর্গাপুজোয় বামে জমানায় ষষ্ঠীতে কাজ হয়ে সরকারি অফিস–কাছারিতে ছুটি পড়ত। লক্ষ্মীপুজোর পর দিনই অফিস খুলত। তৃণমূল সরকারের আমলে এক বছর চতুর্থী থেকে পুজোর ছুটি শুরু হয়ে যায় রাজ্য সরকারি অফিসে। কালীপুজোর সময়ে আগে শুধু পুজোর দিনেই ছুটি থাকত। এখন তা টানা ভাইফোঁটা পর্যন্ত চলে। আগে ভাইফোঁটায় কোনও রাজ্য সরকারি ছুটি ছিল না। জামাই ষষ্ঠীতে আগে কোনও ছুটি ছিল না। এখন হাফ ছুটি চালু হয়েছে। আবার ছটপুজো ছিল সেকশন্যাল হলি-ডে।