নাশকতার ছক? কালীপুজোর আগে STF-এর অভিযানে উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক ও অস্ত্র ভাণ্ডার - 24 Ghanta Bangla News
Home

নাশকতার ছক? কালীপুজোর আগে STF-এর অভিযানে উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক ও অস্ত্র ভাণ্ডার

Spread the love


কলকাতা: কালীপুজোর আগে রাজ্যের দুই জেলায় বড়সড় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। বীরভূমের মুরারইয়ে…

কলকাতা: কালীপুজোর আগে রাজ্যের দুই জেলায় বড়সড় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। বীরভূমের মুরারইয়ে একটি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে ১১৫০টি জিলেটিন স্টিক, ৯৮৯টি ডিটোনেটর এবং ১২ হাজার মিটার ডিটোনেটিং কর্ড। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে, পশ্চিম বর্ধমানে পৃথক অভিযানে এখনও পর্যন্ত ৩৮টি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১২২ রাউন্ড কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করেছে STF।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বীরভূমের মুরারই থানার বড়োয়া গোপালপুর গ্রামে অভিযান চালান STF-এর আধিকারিকেরা। তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় ধরা পড়েছেন রাজগ্রামের মহম্মদ রেজা শেখ ওরফে গুডা এবং সিউড়ির তিলপাড়ার বাসিন্দা মুকেশ সিং। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক কোথা থেকে আনা হয়েছিল, কোথায় পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল এবং কী উদ্দেশ্যে সেগুলি মজুত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে STF-এর অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS)। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বীরভূমের পাশাপাশি পশ্চিম বর্ধমানেও বেআইনি অস্ত্রের খোঁজে অভিযান চালিয়েছে STF। ৩ ও ৫ নভেম্বর আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অধীন পাণ্ডবেশ্বর থানা এলাকায় এই তল্লাশি চলে। জামুড়িয়া থানার ৩১০/২৬ নম্বর মামলায় শেখ সাহাজান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ২১টি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬৫ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাজেয়াপ্ত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ছ’টি লম্বা মাস্কেট, চারটি ৭ মিমি পিস্তল এবং ১১টি পাইপগান। এ ছাড়া মিলেছে ৮ মিমি-র ৪৭ রাউন্ড এবং ৭.৬৫ মিমি-র ১৮ রাউন্ড কার্তুজ।

পুলিশের দাবি, শেখ সাহাজান এলাকায় সমাজবিরোধী হিসেবে পরিচিত। বেআইনি কয়লা কারবারের সঙ্গেও তাঁর যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। এই মামলায় এর আগে খাইরুল আলম ও মহম্মদ শামশের নামে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদের কাছ থেকে যথাক্রমে দু’টি ও ১৫টি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়।

সব মিলিয়ে পশ্চিম বর্ধমানের এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ৩৮টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১২২ রাউন্ড কার্তুজ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অস্ত্রের উৎস ও কারবারের সঙ্গে আর কারা যুক্ত, তা জানতে তদন্ত চালাচ্ছে STF। পাশাপাশি বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারে তল্লাশিও অব্যাহত রয়েছে।

Form 6 থেকে SIR-এর ঘোষণা বাদ, ভোটার তালিকায় নাম তোলার নিয়মে বড় বদল কমিশনের

মেদিনীপুর মেডিক্যালের হাল ফেরাতে উদ্যোগী JSW, কী প্রস্তাব দিলেন সজ্জন জিন্দল?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *