ঘুষ দিয়ে বিজেপির টিকিট চাইছেন তৃণমূল কাউন্সিলার! রীতেশ
এ দিন রীতেশ সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘আমার কেন্দ্রে তৃণমূলের একজন প্রাক্তন কাউন্সিলার ড্রাইভারকে দিয়ে ড্রপ বক্সে আবেদন জমা দিয়েছেন।’ বিধায়কের কথায়, ‘তিনি তৃণমূলের তিনটে টুকরোর মধ্যে কোন টুকরোর প্রতিনিধি, আমি সেটা জানি না।’ ওই কাউন্সিলার এ বারের পুরভোটে বিজেপির টিকিট পাওয়ার জন্য কতটা ব্যাকুল, সেটা বোঝাতে রীতেশ বলেন, ‘নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের পায়ে সস্ত্রীক মাথা ঠুকে এসেছেন তিনি।’ এরপরেই তাঁর চাঞ্চল্যকর দাবি, ‘আমার এক বন্ধুকে ফোন করে টাকা অফার করেছেন। আমাকেও ফোন করেছিলেন। এ রকম ষাটটা ফোন আমাকে করেছেন। এখনও রেখে দিয়েছি। ডিলিট করিনি।’ ব্যক্তিগত ভাবে তিনি যে তৃণমূলের লোকদের টিকিট দেওয়ার ঘোর বিরোধী, সেই বার্তা স্পষ্ট করতে রীতেশ বলেন, ‘১৫ বছর ধরে যারা লুঠ করল, তাদের প্রার্থী করার কথা আমরা কেন ভাবনাচিন্তা করব?’ তাঁর সংযোজন, ‘আমাকে বলছে, সবাই রাজি আছে, কনসিডার করুন। শুধু আপনার জন্য দলে ঢোকা হচ্ছে না।’ তবে প্রশ্ন একটাই, ওই তৃণমূল কাউন্সিলার কি যথেষ্ট হোমওয়ার্ক করে বিজেপির টিকিট পাওয়ার জন্য ঝাঁপাননি? কারণ, ড্রপ বক্সে আবেদন করে যে বিজেপির টিকিট জোটে না সেটা রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য নিজেই সম্প্রতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, ‘মিডিয়াকে খবর দেওয়ার জন্য এই সব ড্রপ বক্স তৈরি করতে হয় আমাদের। যেটা হওয়ার সেটা হয়েই আছে।’ অর্থাৎ, কলকাতা পুরভোটের প্রার্থী তালিকা যে মোটের উপর চূড়ান্ত হয়ে রয়েছে, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।