ভারত-পাক সীমান্তের কাছে রাজস্থানে রেললাইনে বিস্ফোরণ! নাশকতার ছক?

নয়াদিল্লি: ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগর জেলায় রেললাইনে বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে রেলপথের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাইনের নীচে থাকা কংক্রিটের দু’টি ব্লক ভেঙে…
নয়াদিল্লি: ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগর জেলায় রেললাইনে বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে রেলপথের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাইনের নীচে থাকা কংক্রিটের দু’টি ব্লক ভেঙে গিয়েছে। রেললাইনের মাঝখানে তৈরি হয়েছে প্রায় দু’ফুট গভীর গর্ত। মঙ্গলবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিট নাগাদ অনুপগড়-সুরতগড় রেলপথের রামসিংহপুর থানা এলাকার ৫০ জিবি গ্রামের কাছে ঘটনাটি ঘটে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণের প্রায় ৪৫ মিনিট আগে ওই পথ দিয়ে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন গিয়েছিল। ফলে বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।
বিস্ফোরণের খবর পেয়েই এলাকায় পৌঁছন পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকরা। তদন্তে নেমেছে অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS), ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (CID), ডগ স্কোয়াড এবং ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির (FSL) বিশেষজ্ঞরা। রেল কর্তৃপক্ষও ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পরিদর্শন করেছে।
সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় এই ঘটনা ঘটায় নাশকতার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, কিংবা রেলপথকে ইচ্ছাকৃত ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ পুলিশ।
বোমা বিস্ফোরণ কি না, এখনও স্পষ্ট নয়
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর এক তদন্তকারী আধিকারিক জানিয়েছেন, ATS ও FSL-এর দল নমুনা সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করছে। তাঁর কথায়, তদন্তের আগে ঘটনাটিকে বোমা বিস্ফোরণ বলে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটল, তা জানতে আরও পরীক্ষা প্রয়োজন।
সম্প্রতি রাজস্থানে ৭.৫ কেজি RDX উদ্ধারের ঘটনার সঙ্গে এই বিস্ফোরণের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর আগে ভিলওয়ারায় বিস্ফোরক বোঝাই একটি পিকআপ গাড়িতে বিস্ফোরণে চালকের মৃত্যু হয়েছিল। যদিও ওই ঘটনার সঙ্গে শ্রীগঙ্গানগরের রেললাইনে বিস্ফোরণের কোনও যোগসূত্র এখনও মেলেনি। ফরেন্সিক পরীক্ষার রিপোর্ট ও অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ করবে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।
আদালতের রায় না আসা পর্যন্ত স্কুলের কাজ বন্ধ, কড়া পদক্ষেপ লাদাখ প্রশাসনের
রাহুল গান্ধীকে ইমেইল করে অভিযোগ! যোগী রাজ্যে টিকিটের নামে টাকা চাওয়ার বিতর্কে কংগ্রেস