দিঘার সৈকতে আর বসতে পারবেন না হকাররা, বড় সিদ্ধান্ত প্রশাসনের

দিঘা: পর্যটকদের ভিড় সামলাতে এবং সৈকতের পরিবেশ রক্ষা করতে দিঘায় বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। মঙ্গলবার থেকে সমুদ্র সৈকতে হকারদের ব্যবসা করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।…
দিঘা: পর্যটকদের ভিড় সামলাতে এবং সৈকতের পরিবেশ রক্ষা করতে দিঘায় বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। মঙ্গলবার থেকে সমুদ্র সৈকতে হকারদের ব্যবসা করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, পর্যটকদের নির্বিঘ্নে যাতায়াত এবং সৈকতের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পর্যটক ও দিঘা-শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। তবে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হকাররা।
বাঙালির অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র দিঘায় সারা বছরই পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকে। বিশেষ করে ছুটির মরসুমে সৈকতে ভিড় কয়েক গুণ বেড়ে যায়। সেই ভিড়ের মধ্যে হকারদের দোকানপাট থাকায় পর্যটকদের চলাচলে অসুবিধা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সৈকতে খাবারের প্যাকেট ও অন্যান্য আবর্জনা ফেলার প্রবণতায় দূষণ বাড়ছিল। নষ্ট হচ্ছিল সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্যও।
এই পরিস্থিতিতে সৈকতকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটকবান্ধব করে তুলতে হকারমুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে প্রশাসন। আধিকারিকদের বক্তব্য, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যকে অগ্রাধিকার দিয়েই এই পদক্ষেপ। প্রশাসন সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে পরিকল্পনা চলছিল।
সামনেই কালীপুজোর ছুটি। এরপর বড়দিন ও নতুন বছরের ছুটিতে দিঘায় পর্যটকদের ঢল নামার সম্ভাবনা রয়েছে। তার আগেই সৈকত থেকে হকার সরানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর করল প্রশাসন।
তবে এই সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় হকাররা। তাঁদের বক্তব্য, সমুদ্রের ধারে ব্যবসা করেই সংসার চলে। বিকল্প জায়গা বা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করে তাঁদের সরিয়ে দেওয়ায় জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি, কালীপুজোর আগে কতটা নামবে পারদ?
৫ নভেম্বর বাংলার নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা শুভেন্দুর! জমি আইনে বড়সড় বদলের ইঙ্গিত