Qadeemi Masjid: নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি নষ্ট হবে, ১০০ বছরের পুরনো মসজিদ সরাতে হাইকোর্টে যুক্তি সরকারের | Central govt gives explanation why 100 years old mosque should be removed from govt office complex - 24 Ghanta Bangla News
Home

Qadeemi Masjid: নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি নষ্ট হবে, ১০০ বছরের পুরনো মসজিদ সরাতে হাইকোর্টে যুক্তি সরকারের | Central govt gives explanation why 100 years old mosque should be removed from govt office complex

Spread the love

১০০ বছরের পুরনো মসজিদImage Credit: TV9 Network

নয়া দিল্লি: দিল্লিতে কৃষি ভবনের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে শতাব্দী প্রাচীন ‘কাদিমী মসজিদ’ (Qadeemi Masjid)। সম্প্রতি সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টের কারণে সেই মসজিদ সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারি জায়গায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সরানোর কী যুক্তি, কোনও আইন আছে কি না, তা জানতে চেয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। মসজিদ কমিটির করা একটি রিট পিটিশনের ভিত্তিতে এই জবাব চাওয়া হয়। সেই মামলাতেই হলফনামা দিয়ে যুক্তি দিল কেন্দ্র।

হাইকোর্টে কী জবাব কেন্দ্রের

কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লি হাইকোর্টে জানিয়েছে যে, কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস চত্বরে একটি স্থায়ী ধর্মীয় স্থান অনুমোদন করা যায় না। সে ক্ষেত্রে সরকারি সম্পত্তির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র বজায় থাকবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। হাইকোর্টে কেন্দ্রের বক্তব্য, কৃষি ভবন এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট কমপ্লেক্স হল ধর্মনিরপেক্ষ সরকারি জায়গা। মূলত সেটি সরকারি কাজ বা প্রশাসনিক কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। কেন্দ্রের তরফে কাউন্সেল নিশান্ত গৌতম বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস চত্বরে ধর্মীয় স্থান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

মসজিদের জন্য বিকল্প জমি দেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে কেন্দ্র

কেন্দ্র জানিয়েছে যে, মসজিদটি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডে কৃষি ভবনের চত্বরের মধ্য়েই রয়েছে। এটি সরকারি জমির উপর অবস্থান করছে। আরও বলা হয়েছে যে মসজিদ কমিটিকে ১৯৪০ সালের ৮ নভেম্বর একটি চুক্তির মাধ্যমে শুধুমাত্র স্বত্ব দেওয়া হয়েছে, জমিতে কোনও অধিকার দেওয়া হয়নি। তাই মসজিদের জন্য বিকল্প জমি দেওয়ার যে দাবি কমিটি করেছে, সেটাও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

কৃষি ভবনের দুই কিলোমিটারের মধ্যে আর একটি মসজিদ রয়েছে। সেটির কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রের বক্তব্য, ইচ্ছুক ব্যক্তিরা সেখানেই প্রার্থনা করতে পারেন।

গত ২ নভেম্বর শুনানিতে, বিচারপতি আনিস দয়াল কেন্দ্রের কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য সরকারি জায়গায় প্রার্থনার ক্ষেত্রে কোনও নিয়ম আছে কি না। আগামী ২৩ নভেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।

উল্লেখ্য, মসজিদটি সরকারি অফিস নির্মাণের আগেই তৈরি হয়েছিল। মূলত আশপাশের সরকারি অফিসে কর্মরত মুসলিম কর্মীরা সেখানে প্রার্থনা করতে যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *