Buxa Tigress: 'আমাদের রানিকে ফিরিয়ে নিচ্ছে যাচ্ছি', অবশেষে ঘুমিয়ে 'ঘরে' ফিরছে বাঘিনী | Tigress missing from Buxa reserve returning from Assam by forest minister - 24 Ghanta Bangla News
Home

Buxa Tigress: ‘আমাদের রানিকে ফিরিয়ে নিচ্ছে যাচ্ছি’, অবশেষে ঘুমিয়ে ‘ঘরে’ ফিরছে বাঘিনী | Tigress missing from Buxa reserve returning from Assam by forest minister

Spread the love

অসম: অবশেষে খাঁচাবন্দি বক্সার বাঘিনী। অসম থেকে বাংলায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু। বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁয়ের উপস্থিতিতে গাড়িতে তোলা হল তাঁকে। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে পথ ভুলে অসমের দিকে চলে গিয়েছিল বাঘিনী। সেই বাঘিনীকে ফেরাতে অসম ছুটে যান বনমন্ত্রী। অবশেষে মঙ্গলবার এল সাফল্য।

হারিয়ে যাওয়া বাঘিনীকে অবশেষে কাবু করেছে বন দফতর। দীর্ঘ প্রচেষ্টা, একাধিক অভিযান এবং নজরদারির পর অসমের জঙ্গলে বাঘিনীকে ঘুমপাড়ানি গুলি ছুড়ে অচেতন করা হয়েছে। এবার তাকে নিরাপদে পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাঘিনীকে নিয়ে ফিরছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ।

বিহারের বাল্মীকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে গত ২ অক্টোবর বাঘিনীটিকে বক্সায় নিয়ে আসা হয়েছিল। উত্তরবঙ্গে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বক্সার জঙ্গলে বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু বক্সায় ছাড়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সংকোশ নদী পেরিয়ে অসমের রাইমোনা জাতীয় উদ্যানে চলে যায় তিন বছর বয়সি বাঘিনী।

এরপর থেকেই রেডিও কলারের মাধ্যমে তার গতিবিধির উপর নজর রাখছিল পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের বন দফতর। বাঘিনী লোকালয়ের কাছাকাছি চলে যাওয়ায় তাকে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জাতীয় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের (NTCA) অনুমতি পাওয়ার পর দুই রাজ্যের বন দফতরের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয় বিশেষ উদ্ধার অভিযান।

অবশেষে দীর্ঘ তৎপরতার পর ঘুমপাড়ানি গুলির সাহায্যে বাঘিনীকে কাবু করে নিরাপদে খাঁচাবন্দি করার উদ্যোগ সফল হয়েছে। এবার বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে তাকে বাংলায় ফিরিয়ে এনে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বনমন্ত্রী বলেন, “আমাদের রানি খুব স্মার্ট। সামনে এসেও ধরা দিচ্ছিল না। অবশেষে বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ ঘুম পাড়ানো সম্ভব হয়েছে। আমাদের রানিকে আমরা ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।”

বনমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও নিজে অসমে উপস্থিত থেকে গোটা অভিযানের তদারকি করেছেন। বক্সার জঙ্গলে বাঘের পুনর্বাসন প্রকল্পের ক্ষেত্রে এই উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বনকর্তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *