ভেপিং কি সিগারেটের চেয়ে নিরাপদ? জানুন Health Risks। Ei Samay
FAQ
ভেপিং কি সিগারেটের চেয়ে নিরাপদ?
ভেপিংকে সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায় না। ই-সিগারেটের অ্যারোসলেও নিকোটিন, সূক্ষ্ম কণা ও অন্যান্য সম্ভাব্য ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকতে পারে, যা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে।
ভেপিং করলে কি কণ্ঠস্বরের ক্ষতি হয়?
হ্যাঁ, ভেপিংয়ের কারণে শ্বাসনালি ও স্বরযন্ত্রে শুষ্কতা, জ্বালা এবং প্রদাহ তৈরি হতে পারে। এর ফলে কণ্ঠস্বর কর্কশ হওয়া এবং কথা বলার সময় গলায় ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।
ভেপিং করলে কি নিকোটিনের নেশা হতে পারে?
হ্যাঁ। অনেক ই-সিগারেটে নিকোটিন থাকে, যা মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সিস্টেমে প্রভাব ফেলে। ফলে বারবার ভেপিং করার ইচ্ছা এবং নিকোটিনের প্রতি নির্ভরশীলতা তৈরি হতে পারে।
ভেপিং কি ফুসফুসের ক্ষতি করে?
ভেপিংয়ের ফলে শ্বাসনালিতে প্রদাহ, শ্বাসকষ্ট, শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো শব্দ এবং হাঁপানির উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুসের উপর এর প্রভাব নিয়ে গবেষণা এখনও চলছে।
ভেপিং করার পর কণ্ঠস্বর কর্কশ হলে কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
ভেপিংয়ের অভ্যাস থাকলে এবং কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন দুই থেকে তিন সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে ইএনটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিলেও চিকিৎসকের সাহায্য নিতে হবে।