Subhas Chandra ED: ১৩২২ কোটি টাকা তছরুপ, এসেল গ্ৰুপের চেয়ারম্যান সুভাষ চন্দ্রের বিরুদ্ধে ইডির তদন্ত শুরু | ED Probes Subhash Chandra In Rs 1322 Cr LIC Housing Finance Fraud - 24 Ghanta Bangla News
Home

Subhas Chandra ED: ১৩২২ কোটি টাকা তছরুপ, এসেল গ্ৰুপের চেয়ারম্যান সুভাষ চন্দ্রের বিরুদ্ধে ইডির তদন্ত শুরু | ED Probes Subhash Chandra In Rs 1322 Cr LIC Housing Finance Fraud

Spread the love

নয়াদিল্লি: এসেল গ্ৰুপের চেয়ারম্যান ও জি গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সুভাষ চন্দ্রের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের তদন্ত শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। এলআইসি হাউজিং ফিন্যান্স লিমিটেড (LICHFL) থেকে এসেল গোষ্ঠীর দুটি সংস্থার নেওয়া ঋণকে কেন্দ্র করে এই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অভিযোগ, এই ঋণের কারণে সরকারি সংস্থা LICHFL-এর প্রায় ১,৩২২ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। ঋণ নেওয়ার সময় সুভাষ চন্দ্র ব্যক্তিগত গ্যারান্টিও দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই মামলা নথিভুক্তি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। গত ৩১ আগস্ট সিবিআই-এর দায়ের করা এফআইআর-এর ভিত্তিতেই অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনের অধীনে তদন্ত শুরু করেছে ইডি।

ED-র এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই এনফোর্সমেন্ট কেস ইনফরমেনশন রিপোর্ট (ECIR) নথিভুক্ত করা হয়েছে। এটি কীভাবে ইডি তদন্ত শুরু করে, তার আনুষ্ঠানিক নথি।

অন্যদিকে, জি এন্টারপ্রাইজের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সুভাষ চন্দ্রের ব্যক্তিগত নামে ECIR নথিভুক্ত হওয়ার বিষয়টি জেনেছে সংস্থা। সিবিআই-এর আগের মামলার তদন্তের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে .তবে এই বিষয়টি সুভাষ চন্দ্র ও তাঁর প্রোমোটার সংস্থাগুলির সঙ্গে সম্পর্কিত। এর সঙ্গে জি এর কাজের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানানো হয়েছে।

দুটি সংস্থাকে ৯৮০ কোটি টাকার ঋণ

তদন্তে উঠে এসেছে, এসেল গোষ্ঠীর দুটি সংস্থাকে মোট ৯৮০ কোটি টাকার ঋণ দিয়েছিল LICHFL। প্রথম ক্ষেত্রে, ভাসন্ত সাগর নামে এক সংস্থাকে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছিল। এই ঋণের ক্ষেত্রে Pan India Infraprojects Pvt Ltd. সহ-ঋণগ্রহীতা ছিল। ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য সংস্থাটি এই ঋণ নিয়েছিল। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, Digital Subscriber Management and Consultancy Services Pvt Ltd কে ৪৮০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছিল। এই ঋণের ক্ষেত্রে Spirit Infrapower and Multiventures Pvt Ltd সহ-ঋণগ্রহীতা ছিল। এর মধ্যে দ্বিতীয় ঋণটি ছিল সম্পত্তি থেকে পাওয়া আয়ের ভিত্তিতে। এই ধরণের ঋণকে বলে রেন্টাল ডিস্কাউনটিং ফেসিলিটি। এই দুটি ঋণের ক্ষেত্রে নিজের শংসাপত্র জমা দিয়েছিলেন সুভাষ চন্দ্র। একটিতে তাঁর মোট সম্পত্তির মূল্য ছিল ৫৯১১৩ কোটি টাকা। আর একটিতে তাঁর মোট সম্পত্তির মূল্য ছিল ৪০৫৬২ কোটি টাকা। কিন্তু সিবিআই এর এফআইআর অনুযায়ী, দুটি ঋণের কোনওটিই পরিশোধ করা যায়নি। এর ফলে বর্তমানে LICHFL ফিন্যান্সের মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৩২২ কোটি টাকা।

সিবিআই এর এফআইআর-

এর পরেই একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এই এফআইআর-এ সুভাষ চন্দ্রকে এক নম্বর অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ৩টি সংস্থা, ২ জন ব্যক্তি ও আরও কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির নামও রয়েছে। সিবিআই-এর অনুরোধে সুভাষ চন্দ্রের বিরুদ্ধে লুক-আউট সার্কুলার জারি করেছে অভিবাসন দফতর। দেশের সমস্ত বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও স্থলসীমান্তে এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে, যাতে তিনি দেশ ছেড়ে যেতে না পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *